০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১৪:০২

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন কমিটি, সভাপতির দায়িত্বে আইনমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী খামেনির জানাযায় অংশ নিয়ে দেশে ফিরেছেন স্পিকার ৩৮ বিচারককে রদবদল করে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন কমিটি, সভাপতির দায়িত্বে আইনমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী খামেনির জানাযায় অংশ নিয়ে দেশে ফিরেছেন স্পিকার ৩৮ বিচারককে রদবদল করে আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন জারি

খামেনির মৃত্যুতে কেন শোক জানায়নি ভারত

খামেনির মৃত্যুতে কেন শোক জানায়নি ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৬, ২১:২২

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে রাশিয়া ও চীনসহ বিশ্বের অনেক দেশ শোক প্রকাশ করলেও প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক শোক বার্তা দেয়নি। ইরানের সঙ্গে ভারতের কৌশলগত ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক থাকলেও খামেনির মৃত্যুতে দিল্লির এই নীরবতা আন্তর্জাতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের এই মৌনতার মূলে রয়েছে খামেনির শাসনামলে দিল্লির সঙ্গে তেহরানের দীর্ঘদিনের তিক্ত সম্পর্ক এবং ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে খামেনির একাধিক বিতর্কিত হস্তক্ষেপ।

২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে খামেনি অন্তত চারবার ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছিলেন। ২০১৭ সালে তিনি প্রথমবার কাশ্মীরের ‘নিপীড়িত’ মুসলমানদের পক্ষে কথা বলেন। এরপর ২০১৯ সালে ভারত সরকার যখন সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়, তখন খামেনি এর কড়া প্রতিবাদ জানান এবং কাশ্মীরের জন্য একটি ‘ন্যায়সঙ্গত নীতি’ দাবি করেন।

২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার সময়ও খামেনি সরাসরি ভারতের সমালোচনা করেন। সে সময় তিনি ‘চরমপন্থী হিন্দুদের হাতে মুসলিম গণহত্যার’ অভিযোগ তুলে ‘ইন্ডিয়ান মুসলিমস ইন ডেঞ্জার’ (#IndianMuslimsInDanger) হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে টুইট করেছিলেন। এছাড়া ইরানের সংসদ ভারতের নাগরিকত্ব সংশোধন আইনকে (CAA) মুসলিমবিরোধী বলে নিন্দা জানিয়েছিল, যা দিল্লিকে ক্ষুব্ধ করে।

সর্বশেষ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে খামেনি ভারতকে গাজা এবং মিয়ানমারের সাথে তুলনা করে মুসলিম নির্যাতনের অভিযোগ তোলেন। প্রতিটি ঘটনায় ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তর তেহরানের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিল।

ভারতের বর্তমান সরকারের ‘হিন্দুত্ববাদী’ চেতনার বিপরীতে খামেনির কট্টর ইসলামিক অবস্থান এবং ভারতের স্পর্শকাতর ইস্যুগুলোতে বারবার হস্তক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কে এক ধরনের দূরত্ব তৈরি করেছিল। যদিও চাবাহার বন্দর এবং জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সহযোগিতা রয়েছে, তবুও খামেনির রাজনৈতিক অবস্থান দিল্লির জন্য সবসময় অস্বস্তিকর ছিল। এই ঐতিহাসিক তিক্ততার কারণেই খামেনির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ থেকে বিরত রয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার।

আরও পড়ুন