০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৮:০৩

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২ আদ্-দ্বীন হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রান্তিক গ্রাহকদের বিবেচিনায় রেখে বিদ্যুৎমূল্য পুনঃবিবেচনার অনুরোধ জানায় বিদ্যুৎ বিভাগ হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর প্রাণহানি তিন জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের যাবজ্জীবন

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের যাবজ্জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:৩৮

সামরিক শাসন জারির চেষ্টা ও রাষ্ট্রবিরোধী বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন সিউলের একটি আদালত। আজ শুক্রবার বিবিসি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, সংবিধান লঙ্ঘন করে সেনা মোতায়েন ও রাজনীতিকদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়ে ইউন সুক ইয়োল দেশের গণতন্ত্রকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। বিচারক জি গুই-ইয়ন রায়ে উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর ইউন সুক ইয়োল সেনাবাহিনীকে জাতীয় পরিষদ ঘিরে ফেলার যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা ছিল চরম সংবিধানবিরোধী। এ ঘটনায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা তাঁর মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছিলেন।

২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর এক আকস্মিক টেলিভিশন ভাষণে ইউন সুক ইয়োল দেশে ‘মার্শাল ল’ বা সামরিক শাসন জারি করেন। তখন তিনি দাবি করেছিলেন, রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে বিরোধীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা এবং তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ থেকে বাঁচতেই তিনি এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

তৎকালীন সময়ে সংসদ সদস্যরা জাতীয় পরিষদে প্রবেশ করে সামরিক শাসন বাতিলের প্রস্তাব পাস করলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি আদেশ প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন। এরপরই শুরু হয় তাঁর অভিশংসন ও বিচার প্রক্রিয়া।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ইউনের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়াই ‘পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্তে’ এই রায় দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকায় দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ২৩ বছর এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে

আরও পড়ুন