মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযানে ব্যাপক ধরপাকড়
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ জুলাই, ২০২৬, ০৯:৪০
অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের চেরাস এলাকার তামান মালুরি রাতের বাজারে (পাসার মালাম) বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)। অভিযানে বাংলাদেশিসহ সাত দেশের ২০০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
দেশটির সংবাদমাধ্যম হারিয়ান মেট্রো জানায়, রোববার (৫ জুলাই) সন্ধ্যায় পরিচালিত ‘অপ কুটিপ’ নামের বিশেষ অভিযানে কুয়ালালামপুর ও পুত্রাজায়া অভিবাসন বিভাগের কর্মকর্তারা কুয়ালালামপুর সিটি হল (ডিবিকেএল)-এর সহযোগিতায় অংশ নেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং টানা দুই সপ্তাহের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে অভিযানটি পরিচালিত হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে কয়েকটি স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল (এসইউভি) বাজারের প্রবেশপথ ঘিরে ফেলে। একই সময়ে সাধারণ ক্রেতার ছদ্মবেশে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া কর্মকর্তারা অভিযান শুরু করলে অনেকের পালানোর সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে।
অভিযানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, আটক হওয়া অধিকাংশ বিদেশি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস, রান্নার উপকরণ ও প্রস্তুত খাবার কিনতে বাজারে এসেছিলেন। ওই সময় বাজারে স্থানীয়দের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক বিদেশি শ্রমিক ও অভিবাসীর উপস্থিতি ছিল।
কুয়ালালামপুর অভিবাসন বিভাগের পরিচালক হামশা ইনজাউ জানান, অভিযানে মোট ৫০০ জনের কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৪০৭ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন মালয়েশিয়ার নাগরিক ছিলেন। যাচাই শেষে ২০০ জন বিদেশিকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১২৫ জন পুরুষ এবং ৭৫ জন নারী রয়েছেন। তারা বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, চীন, পাকিস্তান ও ভারতের নাগরিক।
অভিবাসন বিভাগের তথ্যমতে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান, বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা, পাসের অপব্যবহার, পাসের শর্ত লঙ্ঘন এবং ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে কুয়ালালামপুর সিটি হলের (ডিবিকেএল) এনফোর্সমেন্ট পরিচালক মোহদ মুজ্জামের জামালউদ্দিন বলেন, পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, আটক হওয়া অধিকাংশ বিদেশি বাজারে ক্রেতা হিসেবেই এসেছিলেন। স্থানীয় ব্যবসা পরিচালনার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অভিযান-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে হামশা ইনজাউ বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। শুধু অবৈধ অভিবাসী নয়, তাদের নিয়োগদাতা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক, দালালচক্র, এজেন্ট এবং যারা অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় বা সহযোগিতা দেয়, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়া সরকার অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে ধারাবাহিক অভিযান জোরদার করেছে। এ অবস্থায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের পাসপোর্ট, কর্মপারমিট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি সব সময় হালনাগাদ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন
- • ব্রাজিলের বিদায়ে উচ্ছ্বসিত মেহজাবীন, স্টেডিয়াম থেকেই বললেন ‘বাই বাই ব্রাজিল’
- • অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা
- • ব্রাজিলের বিদায়ে আবেগঘন তটিনী, বললেন ‘চিরকাল হৃদয়ে থাকবে’
- • জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
- • দল নির্বাচন থেকে পেনাল্টি মিস—ব্রাজিলের বিদায়ের ৬ কারণ
- • ১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
- • জুডিশিয়াল সার্ভিসে রদবদল, চার বিচারকের পদোন্নতি ও ৩৪ জনকে বদলি
- • ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, প্রাণহানি ছাড়াল ৩ হাজার
- • খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
- • দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমলো
- • লাহোরে কোচিংয়ের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত, আহত ৫
- • আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের আওতায় থাকবেন
- • প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’
- • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৬তম প্রতিষ্ঠাবর্ষিকী আজ
- • ব্রাজিল-জাপান লড়াইয়ের আগে আলোচনায় ইতালিয়ান রেফারি
- • রাজধানীতে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৯৪
- • মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড
- • শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা ‘রাজনৈতিক স্ট্যান্টবাজি’: চিফ প্রসিকিউটর
