‘সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটি এখন বোঝা’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:১৬
সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ শিক্ষাবিদ এবং দেশটির নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আব্দুলখালেক আব্দুল্লাহ বলেছেন, এখন সময় এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার বিষয়ে বিবেচনা করার। তার মতে, এগুলো এখন আর কোনও ‘কৌশলগত সম্পদ’ নয়, বরং একটি ‘বোঝা’।
রবিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছেও তিনি একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছিলেন।
আব্দুলখালেক আব্দুল্লাহ লেখেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এখন আর নিজেদের রক্ষার জন্য আমেরিকাকে প্রয়োজন নেই। ইরানের আগ্রাসনের সময় দেশটি প্রমাণ করেছে যে, তারা নিজেদের রক্ষার সক্ষমতা রাখে।
তিনি আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এখন যা প্রয়োজন, তা হলো আমেরিকার সেরা এবং অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রগুলো সংগ্রহ করা। তাই মার্কিন ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার বিষয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে, কারণ এগুলো এখন আর কৌশলগত সম্পদ নয়, বরং একটি বোঝা।
উল্লেখ্য, কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৯টি ঘাঁটি রয়েছে, যার মধ্যে আটটিকে স্থায়ী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যুদ্ধ শুরুর আগে এ অঞ্চলে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতেই রয়েছে ৩ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা। এছাড়া দেশটিতে আল-দাফরা বিমানঘাঁটি রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও আমিরাত যৌথভাবে ব্যবহার করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আমিরাত ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। ইরান কেবল ইসরায়েল নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। বিশেষ করে আমিরাত এই যুদ্ধের প্রভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্চ মাস পর্যন্ত তেহরান আমিরাতের ওপর ৩৯৮টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১ হাজার ৮৭২টি ড্রোন এবং ১৫টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
এই যুদ্ধের ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। দেশটির অর্থনীতি মূলত পর্যটন, রিয়েল এস্টেট, লজিস্টিকস ও অর্থ খাতের ওপর নির্ভরশীল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে দুবাই ও আবুধাবির শেয়ার বাজারে ১২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাজার মূলধন কমেছে। পাশাপাশি ১৮ হাজার ৪০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
মার্চ মাসের শেষ নাগাদ দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট সূচক যুদ্ধের আগের তুলনায় অন্তত ১৬ শতাংশ কমেছে। যদিও আমিরাতের ওপর চালানো অধিকাংশ আক্রমণ প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে, তবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আবুধাবি ও দুবাইয়ে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বুর্জ আল আরব, পাম জুমেইরাহ, দুবাই বিমানবন্দর এবং ফুজাইরাহ তেল শিল্পাঞ্চল অন্যতম।
আরও পড়ুন
- • সেন্ট পিটার্সবার্গে ইউক্রেনের ভয়াবহ ড্রোন হামলা
- • মায়ের মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে
- • অতিরিক্ত লিচু খেলে শিশুদের যেসব ঝুঁকি হতে পারে
- • জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা
- • দুপুরের মধ্যে ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া অফিসের
- • ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি ইরানের
- • পশ্চিমবঙ্গে চরম সংকটে তৃণমূল, কমিটি ভেঙে দিলেন মমতা
- • বিশ্বকাপের সবচেয়ে দামি দল ফ্রান্স, শীর্ষে ইয়ামাল
- • ফ্রিল্যান্সারদের আয়ে থাকছে না সাড়ে সাত শতাংশ কর
- • ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশেই মিলবে মশা দমনের শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী
- • বৈশ্বিক অস্থিরতায় স্বর্ণের দামে নতুন প্রভাব
- • পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
- • জানা গেলো মৃত নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে ও এক কন্যার পরিচয়
- • নতুন গানে পরীমণি
- • প্রশাসনে বড় রদবদল, সাত অতিরিক্ত সচিবকে নতুন দায়িত্ব
- • দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি নেই: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
- • ৫ দিনের বৃষ্টির খবর দিল আবহাওয়া অফিস
- • বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন
