২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪:৫০

শিরোনাম
এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন নয়, জানালেন মির্জা ফখরুল

শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপি বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে: নজরুল ইসলাম

শ্রমিকদের কল্যাণে বিএনপি বৃহৎ কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে: নজরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০২ মে, ২০২৬, ০০:১৬

শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণে বিএনপি সবচেয়ে বড় এবং কার্যকর কর্মপরিকল্পনা দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

শুক্রবার (১ মে) মহান মে দিবস উপলক্ষে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, বর্তমান সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করেছে। কর্মসংস্থানের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, একজন বেকার সন্তান যদি কাজ পায়, তবে সেটি পরিবারের ওপর থেকে আর্থিক চাপ কমিয়ে প্রকৃত মজুরি বাড়িয়ে দেয়।

তিনি আরও জানান, মহান মে দিবসের ঐতিহাসিক আট ঘণ্টা কাজের দাবি এখনো পুরোপুরি পূরণ হয়নি, যা নিশ্চিত করতে তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন।

শ্রমিকদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, কর্মক্ষেত্রে পেশাগত স্বাস্থ্য সুরক্ষা, অবাধ ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার এবং শ্রমিকদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। সেই সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা ও হয়রানিমুক্ত কর্মপরিবেশ তৈরির মাধ্যমে শ্রমিকের মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নির্বাচনের আগে দেওয়া ইশতেহার অনুযায়ী সরকার শ্রমিকদের ভাগ্যের পরিবর্তনে কাজ করবে।

তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরি ও সুন্দর কর্মপরিবেশ আদায়ের জন্য গঠনমূলক প্রক্রিয়ায় আন্দোলন চালিয়ে যাবে। যদি শ্রমিকদের অধিকার অর্জিত না হয়, তবে নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ ও সংগ্রাম গড়ে তোলা হবে। তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিতে না পড়ার জন্য তিনি শ্রমিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান। 

আরও পড়ুন