চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৮ জুন, ২০২৬, ১৭:০৫
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩২ লাখ ১৬ হাজার ৩৭টি টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছে। এটি গত ৪৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বন্দরকে বিশ্বমানের ‘গ্রিন ও স্মার্ট পোর্ট’-এ রূপান্তরের লক্ষ্যে আধুনিক রোবোটিক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সাফল্যের চিত্র তুলে ধরে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একই সময়ে ১৩.০৭ কোটি মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং এবং ৪ হাজার ৭৭টি জাহাজ হ্যান্ডলিং সম্পন্ন হয়েছে, যা গড়ে প্রায় ৪.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, এত সাফল্যের পরও একটি মহল তাদের নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ২০২৫ সালে চট্টগ্রাম বন্দর ৫ হাজার ৪৬০ কোটি ১৮ লাখ টাকা রাজস্ব আয় করেছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ৭.৫৫% বেশি। এই সময়ে কর-পূর্ববর্তী উদ্বৃত্ত মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১৪২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। এছাড়া ২০২৫ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষ সরকারি কোষাগারে ভ্যাট, ট্যাক্স ও এনটিআর বাবদ রেকর্ড ১ হাজার ৮০৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা জমা দিয়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে বন্দরের শক্তিশালী অবস্থানের প্রতিফলন।
বিবৃতিতে তারা লিখেছে, বন্দরের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে ব্যাপক ডিজিটালাইজেশন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে টিওএস, ই-গেইট ও ই-পেমেন্ট সিস্টেম চালুর ফলে জাহাজের গড় টার্ন-অ্যারাউন্ড টাইম ২.১২ দিনে নেমে এসেছে এবং আমদানিকারকরা দ্রুত পণ্য খালাস করতে পারছেন। ‘পেপারলেস পোর্ট’ বাস্তবায়নের লক্ষে সিপিএ স্কাই ও পোর্ট সিঙ্গেল উইনডোর মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি বন্দরের ইয়ার্ড সক্ষমতা ৫৩ হাজার টিইইউএস থেকে ৫৯ হাজার টিইইউএস-এ উন্নীত করা হয়েছে।
বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইএসপিএস কমপ্লায়েন্স বজায় রাখায় ইউএস কোস্ট গার্ড কর্তৃক পরিচালিত সর্বশেষ অডিটে চট্টগ্রাম বন্দর ‘জিরো অবজারভেশন’ অর্জন করেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্য সম্প্রসারণে করাচি-চট্টগ্রাম সরাসরি কন্টেইনার রুট চালু হয়েছে এবং ইউরোপ ও আমেরিকার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বমানের ‘গ্রিন ও স্মার্ট পোর্ট’-এ রূপান্তরের লক্ষ্যে আধুনিক রোবোটিক্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। ২০৪০ সালের মধ্যে বন্দরের সক্ষমতা বর্তমানের চেয়ে ৪ গুণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ চলছে, যা চট্টগ্রাম বন্দরকে অদূর ভবিষ্যতে দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান লজিস্টিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
প্রতিফলন/টিএস
আরও পড়ুন
- • হেরে ফিরেও বীরের সম্মান পেল মিশর
- • পলাতক শেখ হাসিনার ভাষণ প্রচারে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলো আদালত
- • ১৪ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
- • কারুর ট্র্যাজেডি নিয়ে ডিএমকের বিরুদ্ধে বিজয়ের অভিযোগ
- • বদলাচ্ছে চিরাচরিত ধারা, বিটিভিতে বিরোধীদলীয় নেতার খবর প্রচার
- • বান্দরবানের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধের মেয়াদ বৃদ্ধি
- • পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুস
- • বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামের ৭ উপজেলায় সেনা মোতায়েন
- • আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচ কবে-কখন, প্রতিপক্ষ কে?
- • ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি
- • খামেনির শেষবিদায়ে ইউরোপীয় দেশগুলোকে আমন্ত্রণ জানায়নি ইরান
- • পারমাণবিক অস্ত্রের সমান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি: দিমিত্রি মেদভেদেভ
- • যুদ্ধবিরতিকে সামরিক প্রস্তুতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান
- • চিত্রনায়ক সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ
- • সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
- • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর আনিছুর রহমান
- • স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
- • ১১ জুলাই পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক
