০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০০:০৮

শিরোনাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাষ্ট্রজুড়ে বিশাল আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, সংসদে অভিযোগ রুমিন ফারহানার ডেঙ্গু মোকবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ১ লাখ স্যালাইন অনুদান দিচ্ছে বাপি আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী জেট ফুয়েলের দাম কমালো বিইআরসি জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ সাবেক এমপির নাম দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু সরকারি সফরে চীন গেলেন তথ্যমন্ত্রী
শিরোনাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাষ্ট্রজুড়ে বিশাল আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, সংসদে অভিযোগ রুমিন ফারহানার ডেঙ্গু মোকবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ১ লাখ স্যালাইন অনুদান দিচ্ছে বাপি আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী জেট ফুয়েলের দাম কমালো বিইআরসি জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ সাবেক এমপির নাম দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু সরকারি সফরে চীন গেলেন তথ্যমন্ত্রী

দীঘিতে কুমির ফিরিয়ে আনার দাবিতে খাদেম ও স্থানীয়দের সংবাদ সম্মেলন

দীঘিতে কুমির ফিরিয়ে আনার দাবিতে খাদেম ও স্থানীয়দের সংবাদ সম্মেলন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭ জুন, ২০২৬, ১৬:০৩

বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী হযরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার সংলগ্ন দীঘি থেকে একমাত্র জীবিত কুমিরটি সরিয়ে নেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাজারের খাদেম ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা দীঘির ঐতিহ্য রক্ষার স্বার্থে কুমিরটি পুনরায় সেখানে অবমুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন।

আজ রোববার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান মাজারের খাদেমরা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মাজারের প্রধান খাদেম ফকির তারিকুল ইসলাম। এ সময় মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে ফকির তারিকুল ইসলাম বলেন, মাজার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা বা অনুমতি ছাড়াই প্রশাসন দীঘি থেকে কুমিরটি সরিয়ে নিয়েছে। তাঁর ভাষ্য, এটি এলাকার দীর্ঘদিনের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

তিনি বলেন, এর আগে চিকিৎসার কথা বলে দীঘি থেকে দুটি কুমির নিয়ে যাওয়া হলেও সেগুলো আর ফেরত আনা হয়নি। সর্বশেষ সরিয়ে নেওয়া কুমিরটিকেও দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান তিনি। দাবি পূরণ না হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় সাড়ে ছয়শ বছর আগে হযরত খানজাহান আলী (রহ.) এ অঞ্চলে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে দীঘিটি খনন করেন। লোককথা অনুযায়ী, দীঘির নিরাপত্তার জন্য তিনি ‘ধলা পাহাড়’ ও ‘কালা পাহাড়’ নামে দুটি কুমির পানিতে অবমুক্ত করেছিলেন। এরপর থেকে কুমিরগুলো মাজারকেন্দ্রিক ঐতিহ্যের অংশ হয়ে ওঠে।

তবে সময়ের সঙ্গে নানা কারণে কুমিরের সংখ্যা কমতে থাকে। প্রজনন ব্যাহত হওয়া, দুর্ঘটনা ও অন্যান্য কারণে একে একে কুমিরগুলো মারা যায়। ২০১৫ সালে আদি বংশের সর্বশেষ কুমিরটির মৃত্যু হয়। পরে ঐতিহ্য ধরে রাখতে ভারত থেকে আনা কয়েকটি কুমির দীঘিতে অবমুক্ত করা হলেও সেগুলোর বেশির ভাগ টিকে থাকেনি।

সাম্প্রতিক সময়ে দীঘির একমাত্র কুমিরটিকে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ দেখা দেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমিরটি কয়েক দফা মানুষ ও গবাদিপশুর ওপর আক্রমণ চালায়। গত ১ জুন দীঘিতে গোসল করতে নেমে সাত বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে।

ওই ঘটনার পর দর্শনার্থী ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে গত ৩ জুন কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনার বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হয়।

এর পরই কুমিরটিকে আবার দীঘিতে ফিরিয়ে আনার দাবিতে সরব হয়েছেন মাজারের খাদেম ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে জননিরাপত্তা ও ঐতিহ্য রক্ষার প্রশ্নে বিষয়টি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন