১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০৯:৪৯

শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল

সারা দেশে কৃষক কার্ড পেলেন ২০৬৭১ জন

সারা দেশে কৃষক কার্ড পেলেন ২০৬৭১ জন

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:০৫

কৃষকদের জন্য আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন দিগন্তের সূচনা হলো কৃষক কার্ডের মাধ্যমে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কার্ড’ উদ্বোধন করেন।

সারা দেশে ১১টি উপজেলায় মোট ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক, মৎস্যচাষি, খামারি ও লবণচাষিদের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হয়।

প্রাথমিকভাবে প্রত্যেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পেয়েছেন, যা তারা বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ কিনতে ব্যবহার করতে পারবেন।

তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা প্রেরণ করা হয়েছে, যা এই কার্ডের মাধ্যমে তারা ব্যবহার করতে পারবেন। সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে বিশ্বখ্যাত ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ভিসা। 

বাংলা নববর্ষের দিন চালু হওয়া এই উদ্যোগটি কৃষি খাতে আধুনিকায়ন, তথা জাতীয় উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকারকে তুলে ধরছে। মূলত কৃষক পরিচয়পত্র হিসেবে কার্ডটি ডিজাইন করা হলেও, ভিসার প্রযুক্তির মাধ্যমে এটি একটি নিরাপদ ও সহজ নগদহীন (ক্যাশলেস) লেনদেন ব্যবস্থাও নিশ্চিত করবে।

প্রাথমিকভাবে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, বোদা, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেসারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং কক্সবাজারের টেকনাফ–এই ১১ উপজেলায় ফার্মার্স কার্ড বিতরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

কৃষক কার্ডে কৃষকরা মোট ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন। যার মধ্যে রয়েছে—ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্প খরচে কৃষিযন্ত্র ব্যবহার, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইলের মাধ্যমে আবহাওয়া ও বাজার তথ্য, কৃষি প্রশিক্ষণ, রোগ ও পোকামাকড় দমনের পরামর্শ, কৃষি বীমা সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রির সুযোগ।

আরও পড়ুন