১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০৯:৪৯

শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল

দেশের ২৮৪৭ গ্রামে নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়; শিক্ষামন্ত্রী

দেশের ২৮৪৭ গ্রামে নেই প্রাথমিক বিদ্যালয়; শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১৫:৪০

দেশজুড়ে এখনো বহু গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ পৌঁছায়নি। বাংলাদেশ-এর মোট ২ হাজার ৮৪৭টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই বলে জানিয়েছে সরকার।

জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য তুলে ধরেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে এখনো বিদ্যালয় স্থাপন সম্ভব হয়নি, তবে ধীরে ধীরে এই ঘাটতি পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন-এর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে এই ঘাটতির পার্থক্য রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিদ্যালয়বিহীন গ্রাম রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ-এ, আর সবচেয়ে কম রয়েছে রংপুর বিভাগ-এ।

বিভাগভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৮১৮টি, ঢাকায় ৭১৭টি, রাজশাহীতে ৩৫৫টি, খুলনায় ৩৪৯টি, ময়মনসিংহে ২৬৬টি, সিলেটে ২৬০টি, বরিশালে ৪৫টি এবং রংপুরে ৩৭টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।

মন্ত্রী আরও জানান, যেসব গ্রামে এখনো বিদ্যালয় স্থাপিত হয়নি, সেখানে নতুন স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তাব পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয়তা যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকার আশা করছে, ধাপে ধাপে এসব গ্রামেও শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন