০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ১১:১৪

শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩
শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতা: খাতার পাতায় কলমের কালির বদলে রক্তের দাগ

গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতা: খাতার পাতায় কলমের কালির বদলে রক্তের দাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ২৩:২৮

গাজা উপত্যকায় উত্তর গাজার একটি স্কুলে পড়তে গিয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারিয়েছে ৯ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি শিশু রিতাজ। 

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) আবু উবাইদা বিন আল-জাররাহ স্কুলে ক্লাস চলাকালীন সরাসরি মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়। এক প্রতিবেদনে মিডল ইস্ট আই এই হৃদয়বিদারক ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেছে, যা গাজার তথাকথিত ‘নিরাপদ এলাকা’ নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলেছে।

রিতাজের বাবা আবদুল রহমান জানান, দুই বছরের যুদ্ধের পর সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি হলে রিতাজ বড় আশা নিয়ে আবারও স্কুলে যেতে শুরু করেছিল। ঘটনার দিন শিক্ষক ক্লাসে একটি অনুশীলন করতে দিয়েছিলেন; রিতাজ প্রশ্নগুলো খাতায় লিখলেও উত্তরের জায়গাগুলো আর পূরণ করতে পারেনি, তার আগেই ঘাতকের গুলি তার মাথা ভেদ করে যায়। তার সেই খাতাটি এখন কালির বদলে লাল রক্তে ভেজা। ইসরায়েল নির্ধারিত ‘ইয়েলো লাইন’ বা নিষিদ্ধ এলাকা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে নিরাপদ স্থানে স্কুলটি অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও ইসরায়েলি সেনারা সেখানে নির্বিচারে গুলি চালায় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

পরিবারটি ইসরায়েলি হামলায় নিজেদের বাড়ি হারিয়ে বর্তমানে অস্থায়ী তাঁবুতে বসবাস করছে। রিতাজের মা ওলা বিলাপ করতে করতে বলেন, "সকালে নিজ হাতে রিতাজকে তৈরি করে স্কুলে পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু সে ফিরে এল নিথর দেহ আর রক্তে ভেজা মুখ নিয়ে।" সামনেই রিতাজের চাচার বিয়ে ছিল, যার জন্য নতুন পোশাক ও জুতাও কেনা হয়েছিল। কিন্তু সেই আনন্দ আর রিতাজের ভাগ্যে জুটল না। ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ইসরায়েল চায় না গাজার একটি প্রজন্ম শিক্ষিত হয়ে বেড়ে উঠুক, আর রিতাজের রক্তভেজা খাতাটিই এখন এই বর্বরতার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।

আরও পড়ুন