০৫ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ১৩:২৬

শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩
শিরোনাম
ইউএন-কপস সম্মেলনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফরিদপুরে বিভাগ ও সিটি করপোরেশনের পরিকল্পনা সরকারের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ট্রাম্পকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি স্পিকা‌র হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সব হাসপাতালের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬টি নতুন নির্দেশনা অন্যায়কারীর বিচার হবে, অবিচার নয়: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ এখন বৈশ্বিক বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: অর্থমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৩৩

অসুস্থ শিশুকে নামিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করলেন কর্মকর্তা

অসুস্থ শিশুকে নামিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করলেন কর্মকর্তা

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০০:১৬

মাগুরার শ্রীপুরে কীটনাশক পান করা সাত বছর বয়সী এক অসুস্থ শিশুকে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. আশরাফুজ্জামান লিটনের বিরুদ্ধে।

গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ অমানবিক ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিশু আফিয়া খাতুন (৭) মাগুরা সদর উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের ইলিয়াস আলীর মেয়ে।

স্বজনরা জানান, সোমবার সকালে মামার বাড়িতে খেলার ছলে কৃষিজমিতে ব্যবহৃত কীটনাশক খেয়ে ফেলে আফিয়া। গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। স্বজনরা সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে শিশুকে তুললেও মাঝপথে চালক তাদের নামিয়ে দেন। চালকের দাবি, টিএইচও জরুরি কাজে অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার করবেন বলে রোগীকে অন্য যানবাহনে যেতে বলেছেন। পরে এক প্রকার বাধ্য হয়েই মুমূর্ষু শিশুটিকে ইজিবাইকে করে মাগুরা হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা।

এ বিষয়ে ডা. আশরাফুজ্জামান লিটন সাংবাদিকদের বলেন, "মাগুরা সদর হাসপাতাল খুব দূরে নয়, তাই বিকল্পভাবে যেতে বলা হয়েছে। আমার সরকারি গাড়ির জ্বালানি বরাদ্দ দুই বছর ধরে বন্ধ থাকায় প্রশাসনিক কাজে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার করতে হয়।"

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. মো. শামীম কবির এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "অসুস্থ শিশুকে কোনোভাবেই অ্যাম্বুলেন্স থেকে নামানো উচিত হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সালেক মূহিদ জানান, বিষয়টি জেলা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতে রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন