যে ৬ গুণ জান্নাতের পথে এগিয়ে নেয়
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই, ২০২৬, ১৮:০৭
পার্থিব জীবনের সবচেয়ে বড় সফলতা হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং জান্নাত লাভ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা এমন কিছু গুণাবলির কথা উল্লেখ করেছেন, যেগুলো একজন মুমিনকে মুত্তাকিদের কাতারে শামিল হতে সাহায্য করে। সুরা আলে ইমরানের ১৩৩ থেকে ১৩৬ নম্বর আয়াতে এসব বৈশিষ্ট্যের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, কোরআন-হাদিসে মুত্তাকিদের বহু গুণের উল্লেখ থাকলেও এই আয়াতগুলোতে বর্ণিত কয়েকটি বৈশিষ্ট্য জান্নাতের পথে চলার গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়।
১. সচ্ছলতা ও সংকট উভয় অবস্থায় দান করা
মুত্তাকিরা শুধু প্রাচুর্যের সময় নয়, অভাবের মধ্যেও সামর্থ্য অনুযায়ী আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে দান করেন। তাদের দানের লক্ষ্য থাকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, মানুষের প্রশংসা নয়। ইসলামে গোপনে দান করাকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। আল্লাহর কাছে দানের পরিমাণের চেয়ে নিয়ত ও আন্তরিকতাই বেশি মূল্যবান।
২. রাগ সংবরণ করা
রাগ মানুষের বিবেচনাবোধকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই মুত্তাকিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা। হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, প্রকৃত শক্তিশালী ব্যক্তি তিনি নন, যিনি কুস্তিতে অন্যকে পরাজিত করেন; বরং তিনি, যিনি রাগের সময় নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন।
৩. মানুষকে ক্ষমা করা
অন্যের ভুল ক্ষমা করার মানসিকতা একজন ঈমানদারের বড় গুণ। যারা আল্লাহর ক্ষমা প্রত্যাশা করেন, তারা মানুষের প্রতিও ক্ষমাশীল হওয়ার চেষ্টা করেন। ক্ষমাশীলতা ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের জন্যই শান্তি ও সৌহার্দ্য বয়ে আনে।
৪. মানুষের প্রতি এহসান বা কল্যাণ করা
মুত্তাকিরা মানুষের উপকারে এগিয়ে আসেন এবং অন্যের ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকেন। তারা সমাজে কল্যাণ, সহমর্মিতা ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট থাকেন। ইসলামে মানুষের উপকার করাকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
৫. গুনাহের পর দ্রুত তওবা করা
মানুষ ভুল করতেই পারে। তবে মুত্তাকিদের বিশেষত্ব হলো, কোনো গুনাহ হয়ে গেলে তারা দ্রুত আল্লাহর কাছে ফিরে আসেন, অনুতপ্ত হন এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তারা বিশ্বাস করেন, আল্লাহ ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার আর কেউ নেই।
৬. একই গুনাহ বারবার না করা
সত্যিকারের তওবার অন্যতম লক্ষণ হলো, একই ভুলে বারবার ফিরে না যাওয়া। মুত্তাকি ব্যক্তি নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নেন এবং ভবিষ্যতে সেই গুনাহ থেকে বিরত থাকার আন্তরিক চেষ্টা করেন।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যারা এসব গুণ অর্জনের চেষ্টা করবে এবং তওবার মাধ্যমে নিজেদের সংশোধন করবে, তাদের জন্য রয়েছে তাঁর ক্ষমা এবং এমন জান্নাত, যার তলদেশ দিয়ে প্রবাহিত হবে নহর। সেখানে তারা চিরস্থায়ী শান্তি ও সুখে বসবাস করবে।
আরও পড়ুন
- • শিক্ষার্থীদের পক্ষে এবার বিজেপির চাটুকারের স্ত্রী
- • ‘জীবন একটা তামাশা’, সমালোচনার মুখে নেইমারের বার্তা
- • পরমাণু বোমা বানাতে মরিয়া মোজতবা খামেনি?
- • মক্কায় মিলল ১ হাজার বছরের অমূল্য কোরআন
- • চাপের মুখে কলকাতার আন্দোলনও গুটিয়ে নিল সিজেপি
- • শাহজালালে ফের আগুনের গুজব, মিলল অন্য চিত্র
- • জিম্বাবুয়ের সামনে ভারতের ২১৯ রানের ঝড়
- • দিওমান্দেকে নিয়ে রিয়াল-পিএসজির তুমুল লড়াই
- • মার্কিন এলইউসিএএস ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান
- • ইসিতে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন জমা দিল বিএনপি
- • সন্ধ্যার মধ্যে ৭টি অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস
- • যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা আবেদনকারীদের জন্য নতুন নির্দেশনা
- • আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ১৬ বছর পর শিরোপা জিতল স্পেন!
- • একদিনে হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০৫১
- • বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রিজভীর
- • আলোচনায় বসতে ‘ব্যাকুল হয়ে উঠেছে’ ইরান: ট্রাম্প
- • প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা
- • ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার
