০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১৪:৫৪

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন কমিটি, সভাপতির দায়িত্বে আইনমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী খামেনির জানাযায় অংশ নিয়ে দেশে ফিরেছেন স্পিকার
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন কমিটি, সভাপতির দায়িত্বে আইনমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন ১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালের দ্বিতীয় ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী খামেনির জানাযায় অংশ নিয়ে দেশে ফিরেছেন স্পিকার

৭ অধ্যাদেশ নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন: আইনমন্ত্রী

৭ অধ্যাদেশ নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন: আইনমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ২১:৩৮

মানবাধিকার কমিশন আইন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন, বিচারক নিয়োগ আইন এবং গুম কমিশনসহ মোট সাতটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে এসব বিষয়ে কার্যকর আইন প্রণয়ন করা হবে।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে সংসদে ৯১টি বিল পাসসহ বিভিন্ন আইন ও অধ্যাদেশ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গুম কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, বর্তমান খসড়ায় কিছু ফাঁকফোকর রয়েছে। এতে গুমের সংজ্ঞা নির্ধারণ ও ঘটনা শনাক্ত করতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারত, যা নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারত। এসব সীমাবদ্ধতা সংশোধন করে গুম কমিশন নিয়ে নতুন আইন প্রণয়ন করা হবে।

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের বিষয়ে তিনি জানান, তদন্ত ক্ষমতা, জরিমানা আরোপসহ কয়েকটি ধারায় দ্বন্দ্ব রয়েছে। সেগুলো পর্যালোচনা করে একটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর আইন তৈরি করা হবে। আগামী ১৫ মের পর অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো বিষয় গোপন করছে না। অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে— এমন দাবি সঠিক নয়। যারা এ ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সংসদে আলোচনার সময় বিরোধী দলের কিছু সদস্য নথিপত্র পর্যালোচনা করলেও সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিসংক্রান্ত অংশগুলো উপেক্ষা করেছেন। অংশীজনদের মতামত নিয়ে সংশোধনের মাধ্যমে অধ্যাদেশগুলোকে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন