২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৫:০৬

শিরোনাম
গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ
শিরোনাম
গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

৫ টাকার জন্য খুনের দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

৫ টাকার জন্য খুনের দায়ে আসামির মৃত্যুদণ্ড

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ, ২০২৬, ২০:৩০

মাত্র ৫ টাকা চাওয়ার পর তা দিতে দেরি হওয়ায় রাজধানীর ফার্মগেটে এক কেয়ারটেকারকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে আসামি মো. কাজলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ঢাকার ১১ নম্বর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. নূরুল ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় ফার্মগেটের ইন্দিরা রোডে ৩০ বছর ধরে কেয়ারটেকারের কাজ করা জুলহাস মিয়ার কাছে ৫ টাকা চান কাজল। টাকা দিতে সামান্য দেরি হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে কাজল ধারালো ছুরি দিয়ে জুলহাস মিয়ার নাভির নিচে সজোরে আঘাত করেন। পথচারীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত জুলহাস মিয়ার ছেলে মো. সাইফুলের দায়ের করা মামলায় পুলিশ কাজলকে গ্রেপ্তার করলে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ২০১৮ সালের ৯ জুন মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয় এবং একই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়ায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় নেত্রকোনার পূর্বধলা থানার বাসিন্দা কাজল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানাসহ তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন