মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৬ মার্চ, ২০২৬, ০১:১৩
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের জন্য দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'স্বাধীনতা পুরস্কার' ঘোষণা করেছে সরকার। এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
তালিকায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন "বেগম খালেদা জিয়া"। তাঁকে মরণোত্তর এই সম্মাননায় ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য নাম। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং তিন মেয়াদে (১৯৯১-৯৬, ১৯৯৬ এবং ২০০১-০৬) দেশের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৪৫ সালে জন্ম নেওয়া এই নেত্রী আশির দশকে সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথে সক্রিয় হন এবং 'আপসহীন নেত্রী' হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করেছেন।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়াকে 'স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে সার্বিক অবদান' ক্যাটাগরিতে এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কাঠামো উন্নয়নে তাঁর অনবদ্য ভূমিকা ছিল। বিশেষ করে ৯ এর দশকের শুরুতে স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে তাঁর নেতৃত্ব এবং পরবর্তীতে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনে তাঁর সাহসী সিদ্ধান্ত রাষ্ট্র পরিচালনায় বড় পরিবর্তন এনেছিল। দেশের শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং নারী ক্ষমতায়নে তাঁর গৃহীত বিশেষ পদক্ষেপগুলো বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে এই সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবদান নিচে তুলে ধরা হলো-
১৯৯১ সালে জয়লাভের পর রাষ্ট্রপতির শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে দেশে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
নারী শিক্ষাকে ত্বরান্বিত করতে তাঁর সরকার ছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা ও উপবৃত্তি কার্যক্রম চালু করে, যা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রশংসিত হয়েছিল।
দেশের উন্নয়নে যমুনা বহুমুখী সেতুসহ দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক কাজ করেন। এছাড়াও পল্লী বিদ্যুতায়ন ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমে তাঁর সরকার বিশেষ জোর দিয়েছিল।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, আগামী ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই পদক ও সম্মাননা আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।
আরও পড়ুন
- • সৌদির সঙ্গে ৩০ বছরের পারমাণবিক চুক্তিতে অনুমোদন দিলেন ট্রাম্প
- • জুলাইয়ের ২০ দিনেই দেশে এলো প্রায় ২৪ হাজার ৮২১ কোটি টাকার রেমিট্যান্স
- • রাজধানীসহ ১৭ জেলায় ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস
- • মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যেই ইসলামাবাদে শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক
- • ইউক্রেনের সেনাপ্রধান সিরস্কিকে বরখাস্ত করলেন জেলেনস্কি
- • হরমুজে ইরানের সক্ষমতা দুর্বল করতে নতুন মার্কিন হামলা, বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা
- • নেতানিয়াহুকে গ্রেফতারের ক্ষমতা নেই নিউইয়র্ক সিটির, জানালেন মেয়র মামদানি
- • ফিফা সভাপতি ইনফ্যান্তিনোর পদত্যাগ চান স্পেনের লা লিগা সভাপতি
- • সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী
- • কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
- • বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • হঠাৎ কাতার সফরে গেলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- • ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার
- • আগামী ৫ দিন ভারী বর্ষণের আশঙ্কা: আবহাওয়া অধিদপ্তর
- • বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের আহ্বান
- • বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব
- • কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
