০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ২৩:৫৩

শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’
শিরোনাম
হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অর্থবছরে রেমিটেন্সে বিরাট পরিবর্তন, দেশে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু ‘নৈতিকতা ও জবাবদিহিতা ছাড়া স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন সম্ভব নয়’:স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর করতে হবে’: তথ্যমন্ত্রী নতুন ৩টি উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দেশের সব জেলায় রেল সংযোগের পরিকল্পনা,  বড় চ্যালেঞ্জ অর্থায়ন আজ থেকে বাধ্যতামূলক ‘বাংলা কিউআর’

লিভারের জন্য গ্রিন টি কতটা উপকারী? জেনে নিন যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

লিভারের জন্য গ্রিন টি কতটা উপকারী? জেনে নিন যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১ জুলাই, ২০২৬, ০৯:৪৪

অনিয়মিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও স্থূলতার কারণে ফ্যাটি লিভারসহ বিভিন্ন ধরনের লিভারের রোগ বাড়ছে। এ অবস্থায় অনেকেই লিভার সুস্থ রাখতে গ্রিন টি পান করেন। তবে এটি কতটা উপকারী, আর কোন ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন সেটিও জানা জরুরি।

কেন উপকারী গ্রিন টি?

গ্রিন টি অ্যান্টি–অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ একটি পানীয়। এতে থাকা ক্যাটেচিন নামের যৌগ শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। এ কারণে লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এটি কিছুটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে গ্রিন টি পান করলে লিভারে চর্বি জমার ঝুঁকি কিছুটা কমতে পারে। পাশাপাশি লিভারের প্রদাহ কমানো এবং কোষের ক্ষয় প্রতিরোধেও এটি সহায়ক হতে পারে।

কিছু গবেষণায় আরও দেখা যায়, গ্রিন টি লিভারের কার্যকারিতা মূল্যায়নে ব্যবহৃত ALT ও AST এনজাইমের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এ বিষয়ে আরও বিস্তৃত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।

অতিরিক্ত পান করলে কী হতে পারে?

গ্রিন টি উপকারী হলেও অতিরিক্ত পান করা ঠিক নয়। এতে থাকা ক্যাফেইনের কারণে বেশি পরিমাণে পান করলে ঘুমের সমস্যা, অস্থিরতা বা মাথাব্যথা হতে পারে।

এ ছাড়া খাবারের সঙ্গে বা খাওয়ার পরপরই গ্রিন টি পান করলে আয়রন শোষণে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। তাই খাবারের অন্তত এক থেকে দুই ঘণ্টা পরে গ্রিন টি পান করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্রিন টি–জাতীয় ক্যাপসুল বা উচ্চমাত্রার সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়। কিছু ক্ষেত্রে এসব সাপ্লিমেন্ট লিভারের ক্ষতির কারণও হতে পারে।

শুধু গ্রিন টি যথেষ্ট নয়

লিভার সুস্থ রাখতে শুধু গ্রিন টি পান করলেই হবে না। এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও জরুরি। সুষম খাদ্য গ্রহণ, অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

এ ছাড়া অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকা এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোও গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ১ থেকে ২ কাপ গ্রিন টি অধিকাংশ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের জন্য নিরাপদ ও উপকারী হতে পারে। তবে এটি কোনো ওষুধ নয়। লিভারের রোগ থাকলে বা কোনো ধরনের স্বাস্থ্যগত জটিলতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনা উচিত।

আরও পড়ুন