২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৮:১৪

শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা
শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের দাবি প্রসিকিউশনের

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের দাবি প্রসিকিউশনের

প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:৪৪

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে পঞ্চম দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুল ইসলাম।

বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন বলেন, “শেখ হাসিনা এই গণহত্যার মাস্টারমাইন্ড, তা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি শুধু হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাই করেননি, তা বাস্তবায়নেও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।” তিনি আরও বলেন, “এই মামলায় প্রতিটি হত্যার দায়ে আলাদাভাবে মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। সে হিসেবে শেখ হাসিনার ১৪শ বার মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্য।”

এ মামলার অপর দুই আসামি হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। প্রসিকিউশন দাবি করেছে, আসাদুজ্জামান খানও পরিকল্পনায় সরাসরি জড়িত ছিলেন এবং তার জন্যও সর্বোচ্চ শাস্তি প্রযোজ্য। তবে আইজিপি মামুন প্রসঙ্গে বলা হয়, তিনি যদিও অপরাধে সংশ্লিষ্ট, তবুও তিনি কিছুক্ষেত্রে আইনগত সহযোগিতা করেছেন। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল যেন স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেয়—এই মত দেন প্রসিকিউটর।

প্রসিকিউশন আরও দাবি করে, অভিযুক্তরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও বাহিনীকে ব্যবহার করে গণহত্যা চালিয়েছে এবং বিদেশে পালিয়ে গিয়ে এখনো ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তারা বলেছে, এসব অপরাধ থেকে অর্জিত অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত।

চূড়ান্ত রায়ের দিকে এগিয়ে চলা এই মামলায় আসামিপক্ষ আগামী সোমবার তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে। এরপরই মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ থাকবে।

আরও পড়ুন