২৭ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ০২:৫৩

শিরোনাম
মঙ্গলবার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সাবেক সেনাপ্রধানদের ছবির মাঝে বাবার ছবি দেখে থমকে দাঁড়ান প্রধানমন্ত্রী আগস্টের মধ্যে পে-স্কেল না হলে হরতাল কর্মসূচির হুঁশিয়ারি শুধু চাকরির পেছনে নয়, কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর চা শিল্পের বিকাশে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর থার্ড টার্মিনাল নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান বেবিচকের বর্তমানে দেশে ৪ কোটি শিক্ষিত যুবক বেকার: মির্জা ফখরুল সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের
শিরোনাম
মঙ্গলবার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সাবেক সেনাপ্রধানদের ছবির মাঝে বাবার ছবি দেখে থমকে দাঁড়ান প্রধানমন্ত্রী আগস্টের মধ্যে পে-স্কেল না হলে হরতাল কর্মসূচির হুঁশিয়ারি শুধু চাকরির পেছনে নয়, কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর চা শিল্পের বিকাশে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর থার্ড টার্মিনাল নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান বেবিচকের বর্তমানে দেশে ৪ কোটি শিক্ষিত যুবক বেকার: মির্জা ফখরুল সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১৫:১২

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদ পার্টি ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে পৃথকভাবে এসব অভিযোগ দাখিল করা হয়।

বাংলাদেশ আজাদ পার্টির পক্ষে অভিযোগ দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের নেতা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল হাসিনুর রহমান। তিনি জানান, মো. সাহাবুদ্দিনের পাশাপাশি সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিরুদ্ধেও তদন্তের আবেদন করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও রাষ্ট্রের তিন বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন কোনো কার্যকর ভূমিকা নেননি। এছাড়া ৫ আগস্ট পর্যন্ত আয়নাঘর, গুম ও হত্যার মতো অভিযোগ নিয়েও তিনি প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান নেননি। এসব ঘটনায় তার ‘মৌন সম্মতি’ ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বাংলাদেশ আজাদ পার্টির দাবি, পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরের অভিযানসহ বিভিন্ন সময়ের গুম, খুন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সময়ের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে আবদুল হামিদ ও মো. সাহাবুদ্দিনের দায় রয়েছে। ‘সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি’ নীতির আওতায় তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হওয়া উচিত বলেও দাবি করে দলটি।

এদিকে, রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামও একই দিনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৃথক একটি অভিযোগ দাখিল করেছে। সংগঠনটির অভিযোগ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে।

তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। এছাড়া অভিযোগের বিষয়ে মো. সাহাবুদ্দিন বা আবদুল হামিদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন