০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:৫১

শিরোনাম
ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব
শিরোনাম
ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব

ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর ওপর নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প

ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর ওপর নরক নেমে আসবে: ট্রাম্প

প্রকাশিত: ০৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১৭:৫০

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সোমবার ইসরায়েলের দরকারে প্রস্তাবিত ২০ দফা যুদ্ধবিরতির শর্ত মেনে নিতে আগামী রোববার পর্যন্ত হামাসকে সময় বেঁধে দিয়েছেন। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি হামাস সকল জিম্মিকে মুক্তি না দেয় এবং অস্ত্রসমর্পণ না করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে তীব্র পদক্ষেপ নেয়া হবে — “নরক নেমে আসবে” বলে হুমকি দেন তিনি। এর পাশাপাশি তিনি গাজার সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ জানিয়েছেন, যদিও কোথায় সরে যেতে হবে তা নির্দিষ্ট করেননি তিনি।

ট্রাম্প তার প্রস্তাবনায় হামাসকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব বেষ্টিত/জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার শর্ত উল্লেখ করেন এবং ঐ শর্তাবলী পূরণ না হলে কঠোর পদক্ষেপের কথাও বলেন। তিনি দাবি করেন, এই চুক্তিতে মধ্যপ্রাচ্যে “শান্তি প্রতিষ্ঠার” একটি সুযোগ রয়েছে এবং বহু শক্তিশালী দেশ ইতোমধ্যেই এতে সম্মত হয়েছে।

হামাসের সশস্ত্র শাখার নেতা ইজ আল-দ্বীন হাদ্দাদ এই প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। অন্যদিকে কাতারে অবস্থানরত কিছু হামাস নেতারা শর্তসাপেক্ষভাবে চুক্তি মানার ইচ্ছা প্রকাশ করছেন—এক ধরনের দ্বৈত প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

ট্রাম্প নিজের ভাষণে হামাসকে মধ্যপ্রাচ্যে “এক নৃশংস ও সহিংস হুমকি” হিসেবে অভিহিত করেন এবং গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে সংঘটিত হামলায় বহু বেসামরিক মানুষের নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিশোধের বর্ণনা দেন। তিনি বলেছেন, এ পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজারের বেশি হামাস সদস্য হতাহত হয়েছে—এই দাবির ব্যপারে স্বাধীন সূত্রে যাচাই প্রয়োজন।

ট্রাম্প আরও বলেন, “এখন শুধু আমার ‘হ্যাঁ’ বলার অপেক্ষা, আর মুহূর্তেই হামাসের বাকি যোদ্ধাদের জীবন নিভে যাবে। আমাদের কাছে তাদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য আছে; তাদের খুঁজে বের করে বিনষ্ট করা হবে।” এই ধরনের কড়া ভাষা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বিতর্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

ট্রাম্প গাজার সিভিলিয়ানদের নিরাপদস্থানে সরে যেতে বলেছেন—তবে নিরাপদ কোথায়, সেই বিষয়ে কোনো বাস্তব নির্দেশনা দেননি। এতে রীতিমতো উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, কারণ গাজার ভিতরে কিংবা আশেপাশে নিরাপদ আশ্রয় সীমিত ও অনিশ্চিত। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানবতাবাদী সংগঠনগুলোর কাছে এ ধরনের আল্টিমেটাম ও সামরিক হুমকি অতিরিক্ত মানবিক শঙ্কা বাড়ায়।

ট্রাম্পের প্রস্তাব ও হুমকির প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে যারা এ সংঘাতে কূটনৈতিক নিষ্পত্তি ও মানবিক সহায়তা চান তারা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন।

আরও পড়ুন