১৯ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০৫:০৭

শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল
শিরোনাম
রাজাকারদের রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে বর্জনের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঢাকায় আরও ৫০ জায়গায় ট্রাফিক লাইট চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাজধানী থেকে ফিটনেসবিহীন ও পরিবেশ দূষণকারী যান দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১৮ জুলাই: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে তীব্র হয় আন্দোলন সরকারের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন আজ বিশ্ব এআই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জনস্বার্থে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুতের দাম অপরিবর্তীত রেখেছে সরকার সংবিধান সংস্কার নয় বরং সংবিধান সংশোধন চাই: মির্জা ফখরুল

ইরানে হামলা আরও জোরদারের ভাবনা ট্রাম্পের

ইরানে হামলা আরও জোরদারের ভাবনা ট্রাম্পের

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ জুলাই, ২০২৬, ১৫:৩৩

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত ও তীব্র করার বিষয়টি বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এ লক্ষ্যে ইসরায়েলে কয়েক ডজন অতিরিক্ত রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে নতুন কয়েকটি সামরিক পরিকল্পনা উপস্থাপনের পর ইরানে বড় পরিসরের হামলার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালির আশপাশে যে অভিযান চলছে, সম্ভাব্য নতুন হামলা তার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত হতে পারে।

আলোচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা। একই সঙ্গে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে আরও জোরালো আঘাত হানার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দাদের সন্দেহ, পিকঅ্যাক্স মাউন্টেইনের ভূগর্ভস্থ এলাকায় ইরান নতুন সামরিক স্থাপনা গড়ে তুলছে। সে কারণেও ওই অঞ্চল হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি ট্রাম্প। তা সত্ত্বেও সংঘাতের মাত্রা বাড়ানোর বিষয়ে তাঁর আগ্রহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাদের ভাষ্য, ইরানকে এমন চাপে ফেলতে চান ট্রাম্প, যাতে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু-সংক্রান্ত দাবিগুলো মেনে নিতে বাধ্য হয়।

মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মতে, কয়েক দিনের মধ্যেই হামলার পরিসর বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হতে পারে।

এরই মধ্যে টানা পঞ্চম দিনের মতো হরমুজ প্রণালি ও ইরানের দক্ষিণ উপকূলবর্তী বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, বন্দর আব্বাস শহরের আশপাশের অন্তত সাতটি সেতুতে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। হরমুজ অঞ্চলে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) কার্যক্রম পরিচালনার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত বন্দর আব্বাস।

অন্যদিকে পাল্টা হামলা জোরদার করেছে ইরানও। জর্ডন, কাতার, বাহরাইন, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ বাড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। আইআরজিসি জানিয়েছে, সিরিয়ায় একটি মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়েছে। যদিও ওই ঘাঁটি থেকে কয়েক মাস আগেই মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

বর্তমানে তেল আবিবের কাছে বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৩০টি মার্কিন সামরিক রিফুয়েলিং বিমান অবস্থান করছে। একই ধরনের আরও বিমান রয়েছে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের রেমন বিমানঘাঁটিতে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেন, শিগগিরই আরও কয়েক ডজন বিমান পাঠানো হতে পারে।

তবে এ সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের ভেতরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে। দীর্ঘ সময় ধরে বিপুলসংখ্যক মার্কিন বিমান বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থান করায় স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যুদ্ধের সময় আকাশপথ বন্ধ থাকায় বিষয়টি তেমন গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু এখন আকাশসীমা খুলে দেওয়ার পর বাড়তি সামরিক বিমান এলে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনায় সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আর তিন মাস পর দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এমন পরিস্থিতিতে বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকারের জন্য রাজনৈতিক চাপ বাড়াতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ইসরায়েলের পরিবহনমন্ত্রী মিরি রেগেভ ইতিমধ্যে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে মার্কিন বিমান সরিয়ে নেওয়া বা তাদের সংখ্যা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তবে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।

এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে, অতিরিক্ত রিফুয়েলিং বিমান রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ইসরায়েল সরকারকেই করতে হবে।

আরও পড়ুন