১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০২:৫২

শিরোনাম
উগ্রবাদে জিরো টলারেন্স, বিরোধীদলের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ২৬ কার্যদিবসে ১০ বিল পাসের মাধ্যমে বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক এয়ারবাসের বিমান সংগ্রহে সরকারের আগ্রহ, মিলল ইউরোপের আশ্বাস ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে চট্টগ্রাম চেম্বারের ১ কোটি টাকার অনুদান
শিরোনাম
উগ্রবাদে জিরো টলারেন্স, বিরোধীদলের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ২৬ কার্যদিবসে ১০ বিল পাসের মাধ্যমে বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক এয়ারবাসের বিমান সংগ্রহে সরকারের আগ্রহ, মিলল ইউরোপের আশ্বাস ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে চট্টগ্রাম চেম্বারের ১ কোটি টাকার অনুদান

জঙ্গল, সন্ত্রাসী আর মৃত্যুর ঝুঁকি— অভিবাসীদের সবচেয়ে ভয়ংকর রুট ‘ড্যারিয়েন গ্যাপ’

জঙ্গল, সন্ত্রাসী আর মৃত্যুর ঝুঁকি— অভিবাসীদের সবচেয়ে ভয়ংকর রুট ‘ড্যারিয়েন গ্যাপ’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১৫:৩৩

যুক্তরাষ্ট্রে উন্নত জীবনের আশায় প্রতিবছর হাজারো মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাড়ি দেন বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক অভিবাসন রুট ‘ড্যারিয়েন গ্যাপ’। ঘন জঙ্গল, খাড়া পাহাড়, কর্দমাক্ত জলাভূমি, স্রোতস্বিনী নদী, বন্যপ্রাণী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর দৌরাত্ম্যে ভরা এই পথ বহু অভিবাসীর জন্য পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কঠোর অভিবাসন নীতি গ্রহণ করেছেন। দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে কঠোর নীতির পরও আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্র সক্রিয় থাকায় অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী এখনও অবৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করছেন।

উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যে একমাত্র স্থল সংযোগ ড্যারিয়েন গ্যাপ, যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১০০ কিলোমিটার। কলম্বিয়া ও পানামার সীমান্তবর্তী এই দুর্গম অঞ্চল দিয়ে যাত্রা করতে গিয়ে কত মানুষের মৃত্যু হয়েছে, তার নির্ভুল হিসাব আজও জানা যায়নি।

ঘন জঙ্গল, প্রবল স্রোতের নদী, ভূমিধস, বন্যা, বিষাক্ত সাপ, কুমির, জাগুয়ার, মশা ও নানা ধরনের প্রাণঘাতী পোকামাকড়ের পাশাপাশি এই পথে সবচেয়ে বড় হুমকি সশস্ত্র অপরাধী ও মানবপাচারকারী চক্র। অনেক অভিবাসী পথে ডাকাতি, অপহরণ, নির্যাতন ও যৌন সহিংসতার শিকার হন।

প্যান-আমেরিকান মহাসড়কের মধ্যে আলাস্কা থেকে আর্জেন্টিনা পর্যন্ত বিস্তৃত অংশের একমাত্র বিচ্ছিন্ন অংশ এই ড্যারিয়েন গ্যাপ। তবে এটি কোনো নির্মিত সড়ক নয়; বরং সম্পূর্ণ দুর্গম বনাঞ্চল, যেখানে পথচলার জন্য অধিকাংশ অভিবাসী মানবপাচারকারী চক্রের গাইডের ওপর নির্ভর করেন। এ জন্য তাদের গুনতে হয় হাজার হাজার ডলার।

‘ডাঙ্কি রুট’ নামেও পরিচিত এই পথে এশিয়ার অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী প্রথমে পানামা, কোস্টা রিকা, এল সালভাদোর বা গুয়াতেমালার মতো দেশে পৌঁছান। এরপর মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেন।

কলম্বিয়া সরকারের তথ্য অনুযায়ী, এই অভিবাসন রুট নিয়ন্ত্রণকারী কুখ্যাত গাল্ফ ক্ল্যান প্রতিবছর শুধু এই ব্যবসা থেকেই প্রায় ৩ কোটি ডলার আয় করে। দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও মানবপাচারের জন্য এই রুট ব্যবহার করে আসছে সংগঠনটি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভেনেজুয়েলা, হাইতি, ইকুয়েডর, পাকিস্তান, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকেও অনেক অভিবাসনপ্রত্যাশী এই বিপজ্জনক পথে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। ৭ থেকে ১৫ দিনের এই ভয়ংকর যাত্রায় অনেকে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারলেও, অনেকের জীবন শেষ হয়ে যায় জঙ্গলের মধ্যেই।

আরও পড়ুন