২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৩:৩৩

শিরোনাম
রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যগামী ৭৭৫ ফ্লাইট বাতিল

শাহজালাল বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যগামী ৭৭৫ ফ্লাইট বাতিল

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ মার্চ, ২০২৬, ১৯:২৪

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাবে টানা প্রায় এক মাসে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থেকে ৭৭৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান আকাশসীমা বন্ধ রাখায় এই বিপর্যয় তৈরি হয়।

ফ্লাইট ব্যবস্থাপনা সূত্রে জানা গেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বাতিল হয় ২ মার্চ (৪৬টি), ১ মার্চ (৪০টি) এবং ৩ মার্চ (৩৯টি)। এরপর ধীরে ধীরে কিছুটা কমলেও প্রতিদিন গড়ে ২০ থেকে ৩০টি ফ্লাইট বাতিলের ধারা অব্যাহত থাকে।

২৬ মার্চেও কুয়েত এয়ারওয়েজ, এয়ার অ্যারাবিয়া, গালফ এয়ার, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস ও জাজিরা এয়ারওয়েজসহ বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট ২২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এতে করে মোট বাতিল ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৭৫টি। তবে ফ্লাইট বাতিলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যগামী কিছু রুটে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনাও অব্যাহত রাখা হয়েছে। বিশেষ করে ওমানের মাস্কাট (এমসিটি), সৌদি আরব (কেএসএ) এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে।

ফ্লাইট ব্যবস্থাপনা তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি যেখানে মাত্র ৬টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছিল, সেখানে মার্চের মাঝামাঝি থেকে দৈনিক ফ্লাইট সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ১৫ মার্চ সর্বোচ্চ ৪৯টি এবং ২৪ মার্চ ৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়।

একইভাবে ২৬ মার্চের জন্য ৫০টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে মাস্কাটগামী ৮টি, সৌদি আরবগামী ২২টি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ২০টি ফ্লাইট রয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহ-এই তিন গন্তব্যে সবচেয়ে বেশি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আকাশসীমা সংকটের মধ্যেও শ্রমবাজার ও প্রবাসী যাত্রীদের চাহিদা বিবেচনায় বিকল্প রুট ও সীমিত পরিসরে ফ্লাইট চালু রাখা হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব ও ওমান রুটে কর্মী পরিবহন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত রুটে যাত্রীচাহিদা থাকায় এসব রুটে ধাপে ধাপে ফ্লাইট বাড়ানো হচ্ছে।

সব মিলিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত মোট পরিচালিত ও পরিকল্পিত ফ্লাইটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫টি। যদিও একই সময়ে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি এখনো কাটেনি।

বিমান চলাচল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সূচিতে অনিশ্চয়তা থাকবেই। 


 

আরও পড়ুন