২৬ জুলাই ২০২৬, রবিবার, ০৫:২১

শিরোনাম
শাহজালালে ফের আগুনের গুজব, মিলল অন্য চিত্র শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ ৩০ জুলাই শুরু হজ-উমরা ফেয়ার, মেলায় থাকছে ১৫৪ স্টল 'আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করলে বিএনপিকে আবারও ১৭ বছরের রোজা রাখতে হবে' রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও আগের বাসভবনেই থাকছেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ মালদ্বীপ সফরে গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৯
শিরোনাম
শাহজালালে ফের আগুনের গুজব, মিলল অন্য চিত্র শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ ৩০ জুলাই শুরু হজ-উমরা ফেয়ার, মেলায় থাকছে ১৫৪ স্টল 'আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করলে বিএনপিকে আবারও ১৭ বছরের রোজা রাখতে হবে' রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও আগের বাসভবনেই থাকছেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ মালদ্বীপ সফরে গেলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪০, হাসপাতালে ভর্তি ৪৩৯

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় আছেন বিএনপির সম্ভাব্য সিনিয়র ৩ নেতা

রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় আছেন বিএনপির সম্ভাব্য সিনিয়র ৩ নেতা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ জুলাই, ২০২৬, ১৫:০৯

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির সিনিয়র তিন নেতার নাম আলোচনায় এসেছে।

রাজনৈতিক সূত্রগুলোর দাবি, বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং নজরুল ইসলাম খানের নাম সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে। এছাড়া সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পালন করা এক সিনিয়র সচিবের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি।

সূত্র জানায়, পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন রাষ্ট্রপতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হচ্ছে। এ কারণে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা নিয়ে সরকার ও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আলোচনা রয়েছে।

দলীয় সূত্রগুলোর মতে, রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির কোনো নেতাকে মনোনয়ন দেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪০ শতাংশ। অন্যদিকে, প্রায় ৬০ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে দলের বাইরের গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যক্তিকে এ পদে মনোনয়ন দেওয়ার। তবে দলের একাধিক নেতা মনে করছেন, রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদে দলীয় নেতৃত্বের অভিজ্ঞ কাউকেই দায়িত্ব দেওয়া উচিত।

এদিকে সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্রের ভাষ্য, রাষ্ট্রপতি পদে যেসব নাম আলোচনায় আসছে, সেগুলো মূলত অনুমাননির্ভর। বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাড়া এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কেউ কিছু জানেন না বলে ওই সূত্র দাবি করেছে।

বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মতে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য রাজনৈতিক চাপ মোকাবিলা, সরকার ও বিরোধী দলের সঙ্গে সাংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা—এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হবে।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সময়ে তিনি দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছার কথা প্রকাশ্যে উল্লেখ করেছিলেন। সর্বশেষ এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সরকার চাইলে দায়িত্বে থাকবেন, অন্যথায় স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করবেন।

প্রতিফলন/টিএস 

আরও পড়ুন