০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৩:৪৯

শিরোনাম
ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব
শিরোনাম
ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব

হরমুজ নিয়ে ফের স্পষ্ট বার্তা, নিয়ন্ত্রণ চায় ইরান

হরমুজ নিয়ে ফের স্পষ্ট বার্তা, নিয়ন্ত্রণ চায় ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫৮

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার নিয়ে নতুন করে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছে ইরান। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কার্যত অচল হয়ে পড়া এই জলপথটি এখন বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবাহিত হওয়া এই রুটটি বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ও মুদ্রাস্ফীতি আকাশচুম্বী হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, প্রণালিটি খুলে দেওয়া হলেও এর নেতিবাচক প্রভাব আরও কয়েক মাস স্থায়ী হতে পারে।

প্রণালিটি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখন সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। তেহরান দাবি করছে, হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব ও নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে। এমনকি এই জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে 'ট্রানজিট ফি' আদায়ের পরিকল্পনাও করছে ইরান। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এই দাবি নাকচ করে দিয়ে বলছে, হরমুজ একটি আন্তর্জাতিক জলপথ এবং এখানে বৈশ্বিক জাহাজ চলাচল অবাধ থাকতে হবে। যেকোনো মূল্যে এই রুটটি খোলা রাখাই ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য।

আরও পড়ুন