১৪ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৪:৩৯

শিরোনাম
ফিরলে শেখ হাসিনাকে জেলে যেতে হবে: শামা ওবায়েদ বরিশালে সাংগঠনিক সভায় যে যে নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবনের মসজিদে বৃষ্টির পানি, সারি সারি বালতি অনলাইনে মাদক ব্যবসায় আসছে মৃত্যুদণ্ডের আইন বন্যার মধ্যেও বন্ধ হচ্ছে না এইচএসসি পরীক্ষা মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর কবে চালু হবে, জানালেন নৌপরিবহনমন্ত্রী আগামীকাল ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় মার্কিন ভিসায় নতুন নিয়ম, জানাতে হবে ৫ বছরের সামাজিক যোগাযোগ তথ্য
শিরোনাম
ফিরলে শেখ হাসিনাকে জেলে যেতে হবে: শামা ওবায়েদ বরিশালে সাংগঠনিক সভায় যে যে নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদ ভবনের মসজিদে বৃষ্টির পানি, সারি সারি বালতি অনলাইনে মাদক ব্যবসায় আসছে মৃত্যুদণ্ডের আইন বন্যার মধ্যেও বন্ধ হচ্ছে না এইচএসসি পরীক্ষা মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর কবে চালু হবে, জানালেন নৌপরিবহনমন্ত্রী আগামীকাল ৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় মার্কিন ভিসায় নতুন নিয়ম, জানাতে হবে ৫ বছরের সামাজিক যোগাযোগ তথ্য

অতি ভারী বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা

অতি ভারী বর্ষণে পানির নিচে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা

জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ০৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫৬

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড়ি ঢল ও নদীর জোয়ারের প্রভাবে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমরসমান পানি জমে যায়। এতে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। জলাবদ্ধতার কারণে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে রয়েছে পতেঙ্গা, আগ্রাবাদ, কাতালগঞ্জ, চান্দগাঁও, বাকলিয়া ও চকবাজার। এসব এলাকার অনেক বাসিন্দা পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম জানান, মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গায় ৩৩০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বর্তমানে সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি নিয়েও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দুপুরের দিকে কর্ণফুলী নদীতে জোয়ার শুরু হলে পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে, ফলে জলাবদ্ধতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অতি ভারী বর্ষণের কারণে নগরীর নিচু এলাকার সড়কগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতির কারণে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনে পাঠদান ও অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। অন্যদিকে চাকরিজীবী, বিমানবন্দরগামী যাত্রী, পথচারী, জরুরি কাজে বের হওয়া মানুষ এবং দিনমজুরদের দুর্ভোগ বেড়েছে। গণপরিবহনের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন