২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২৩:২৭

শিরোনাম
রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

গাজায় শিশুদের জীবন ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে: জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

গাজায় শিশুদের জীবন ও ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে: জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ জুন, ২০২৬, ১৫:১৮

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাতে শিশুদের ওপর গুরুতর প্রভাব পড়ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের একটি স্বাধীন অনুসন্ধান কমিশন। কমিশনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে ফিলিস্তিনি শিশুরা নজিরবিহীন মৃত্যু, আহত হওয়া এবং মানসিক ট্রমার মুখোমুখি হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় শিশু হতাহত হওয়ার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসন মুরলিধর বলেন, ২০২৫ সালের অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পরও বহু শিশু নিহত ও গুরুতর আহত হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী শিশুদের সুরক্ষার বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে প্রতিপালন করা হচ্ছে না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাপক সামরিক হামলা এবং মানবিক ও চিকিৎসা সহায়তা প্রবেশে বাধার কারণে ফিলিস্তিনি শিশুদের জীবন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্বাভাবিক বিকাশ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং প্রজননসেবা প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার ঘটনাও নথিভুক্ত করেছে কমিশন।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর গত আট মাসে ২৫০ জনের বেশি শিশুসহ এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া বহু শিশু আহত হয়েছে এবং অনেকের খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের পরিস্থিতিও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে শিশুদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, গ্রেপ্তার ও আটকের ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা বি’তসেলেমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পশ্চিম তীরে ২৩৬ জন ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা সম্প্রসারণ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা। তাদের দাবি, নতুন নতুন সামরিক নিয়ন্ত্রণরেখা নির্ধারণের ফলে সাধারণ মানুষের চলাচল আরও সীমিত হয়ে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে।

তবে ইসরায়েল সরকার বরাবরই তাদের সামরিক অভিযানকে নিরাপত্তা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে পরিচালিত পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে আসছে। সংঘাতের পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন