২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২১:৪৪

শিরোনাম
রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
শিরোনাম
রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বঙ্গোপসাগরে ৪২ যুদ্ধজাহাজ নিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর মহড়া

বঙ্গোপসাগরে ৪২ যুদ্ধজাহাজ নিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর মহড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২১:২৫

বঙ্গোপসাগরে সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত ভারতীয় নৌবাহিনীর বহুজাতিক সামুদ্রিক মহড়া ‘মিলান ২০২৬’ বুধবার সফলভাবে শেষ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, ১৮টি বন্ধুপ্রতীম দেশের অংশগ্রহণে এই মহড়ায় ৪২টি যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন এবং ২৯টি অত্যাধুনিক সামরিক উড়োজাহাজ অংশ নেয়।

‘ক্যামারাডারি, কো-অপারেশন, কোলাবোরেশন’—এই তিন মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে আয়োজিত এবারের মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত-এর ডেকে। বিশাখাপত্তনম উপকূলের কাছে আয়োজিত এই মিলনমেলায় বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে কৌশলগত সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়।

মহড়ায় ভারত ছাড়াও ফ্রান্স, জার্মানি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামুদ্রিক নজরদারি বিমানগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করে। মহড়াটি দুটি পর্যায়ে বিভক্ত ছিল। প্রথম ‘হারবার ফেজ’-এ আন্তর্জাতিক সেমিনার ও বিশেষজ্ঞদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ‘সি ফেজ’ বা সমুদ্র পর্যায়ে উচ্চমাত্রার সামরিক অনুশীলন চালানো হয়। এতে আকাশ প্রতিরক্ষা, সাবমেরিনবিরোধী যুদ্ধকৌশল, সামুদ্রিক বাধা অভিযান এবং ক্রস-ডেক ফ্লাইং অপারেশনের মতো জটিল মহড়া সম্পন্ন করা হয়।

ভারতের পক্ষ থেকে আইএনএস বিক্রান্ত ছাড়াও বিশাখাপত্তনম-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ার, নীলগিরি-শ্রেণির প্রজেক্ট ফ্রিগেট এবং ডাইভিং সাপোর্ট ভেসেল আইএনএস নিস্তারসহ একাধিক শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ অংশ নেয়। লাইভ ফায়ারিং অনুশীলনে কামান ও অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট অস্ত্রের নিখুঁত ব্যবহার প্রদর্শিত হয়।

আরও পড়ুন