১২ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০০:১৭

শিরোনাম
আবারো দেশে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ শিক্ষায়, সবচেয়ে কম ত্রাণে সরকারি চাকরিজীবিদের নতুন বেতন কাঠামো, বাড়তি ৪৬৪১ কোটি বরাদ্দ বাজেটে চমক, আসছে ৮ বড় জনকল্যাণ উদ্যোগ বাজেটে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর ঘোষণা রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড, গঠিত হবে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে করছাড়, কমতে পারে নিত্যপণ্য ও চিকিৎসা খরচ
শিরোনাম
আবারো দেশে ৪ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ শিক্ষায়, সবচেয়ে কম ত্রাণে সরকারি চাকরিজীবিদের নতুন বেতন কাঠামো, বাড়তি ৪৬৪১ কোটি বরাদ্দ বাজেটে চমক, আসছে ৮ বড় জনকল্যাণ উদ্যোগ বাজেটে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতুর ঘোষণা রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরে চূড়ান্ত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড, গঠিত হবে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স পুল জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে করছাড়, কমতে পারে নিত্যপণ্য ও চিকিৎসা খরচ

কৃষক কার্ডে বরাদ্দ ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা, পাবেন ৪২.৫ লাখ কৃষক

কৃষক কার্ডে বরাদ্দ ১ হাজার ৬২ কোটি টাকা, পাবেন ৪২.৫ লাখ কৃষক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ জুন, ২০২৬, ১৬:৩২

আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির জন্য ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকেরা এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাবের কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কৃষিকে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত করা সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার। কৃষি খাতে মৌলিক রূপান্তর আনা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় ১০ ধরনের সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে চলতি বছরের পহেলা বৈশাখ থেকে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

তিনি জানান, আগামী অর্থবছরে ১০০ উপজেলায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষককে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, কৃষক কার্ডধারী ভূমিহীন ও প্রান্তিক কৃষকেরা বছরে একবার ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পাবেন। এ জন্য আগামী অর্থবছরে প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৬২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে নেওয়া সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ খাতে চলতি অর্থবছরে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

কৃষি খাতের উন্নয়নে সরকারের চলমান বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের বিনা মূল্যে বীজ, সার ও অন্যান্য উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভর্তুকি মূল্যে সার সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে। উৎপাদন ব্যয় কমাতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কর্মসূচিও জোরদার করা হচ্ছে।

এ ছাড়া কৃষিপণ্যের বহুমুখীকরণ, পচনশীল পণ্যের জন্য কোল্ড স্টোরেজ ও কোল্ড চেইন সম্প্রসারণ, বরেন্দ্র অঞ্চলে আমচাষিদের জন্য বিশেষ হিমাগার স্থাপন এবং কৃষক ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, খাল পুনঃখনন ও পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে ‘স্বেচ্ছাশ্রমে খাল খনন কর্মসূচি’ পুনরায় চালু করা হয়েছে। এ কর্মসূচিতে কৃষি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় অংশ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন