১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ০২:৪৪

শিরোনাম
ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ পেলেন জহির হোসেন বড় সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের, ভেঙে দেওয়া হলো ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ এডিবির ঋণে চাঙ্গা রিজার্ভ, ৩১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক পেরোল বাংলাদেশ ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেবে রূপপুর, আগস্টে সংযোগ কক্সবাজারে হচ্ছে ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়: প্রধানমন্ত্রী ভারতের আপত্তিতে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে না বাংলাদেশকে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অন্য হাসপাতালে সংযুক্তির নির্দেশ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু
শিরোনাম
ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ পেলেন জহির হোসেন বড় সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের, ভেঙে দেওয়া হলো ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ এডিবির ঋণে চাঙ্গা রিজার্ভ, ৩১ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক পেরোল বাংলাদেশ ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দেবে রূপপুর, আগস্টে সংযোগ কক্সবাজারে হচ্ছে ব্লু ইকোনমি বিশ্ববিদ্যালয়: প্রধানমন্ত্রী ভারতের আপত্তিতে অতিরিক্ত ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাচ্ছে না বাংলাদেশকে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের অন্য হাসপাতালে সংযুক্তির নির্দেশ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ শিশুর মৃত্যু

বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেশি থাকবে: অর্থমন্ত্রী

বাজেটে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেশি থাকবে: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২১:৩৭

বিগত সময়ে সামষ্টিক অর্থনীতি ব্যবস্থাপনায় বিএনপি সরকার সফলতা দেখিয়েছে, এবারও সেই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়াবে সরকার।’

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে সচিবালয়ে মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকার উচ্চমাত্রার মুদ্রা সরবরাহ বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি উসকে দিতে চায় না।

বরং এমন নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে, যাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং বেসরকারি খাতের ওপর চাপ না পড়ে। এটিই বর্তমান অর্থনৈতিক নীতির অন্যতম প্রধান নির্দেশনা।

তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক রাজনীতির কারণে দেশের অর্থনীতি কিছু গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হয়েছিল। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার ‘অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ’-এর ওপর জোর দিচ্ছে, যাতে অর্থনৈতিক সুফল সমাজের সব স্তরে পৌঁছায়।

এ প্রসঙ্গে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, নারীর হাতে সরাসরি অর্থ পৌঁছালে তা পরিবারে সাশ্রয় ও বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) এবং স্টার্টআপ খাতকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এসএমই খাত। পাশাপাশি গ্রামীণ কুটিরশিল্প, কারিগর ও সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারায় আনতে কাজ করছে সরকার। এসব পণ্যের ডিজাইন, ব্র্যান্ডিং ও বিপণনে সহায়তা দিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি, থিয়েটার, সিনেমা ও সংগীত খাতকেও অর্থনীতির অংশ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

বর্তমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলার অভাব, মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বেসরকারি খাত চাপে রয়েছে। অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান প্রত্যাশিত কর্মক্ষমতা দেখাতে পারছে না। ব্যবসা-বাণিজ্য ভালো না হলে কর আদায়ও বাড়ে না। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন ও কারিগরি শিক্ষায় জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স বাড়ে। জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়ে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় উৎস অনুসন্ধান এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বাজার ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রশাসনিকভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বাজারকে চাহিদা ও জোগানের ভিত্তিতে পরিচালিত হতে দিতে হবে। এজন্য সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং ব্যবসার খরচ কমানোর ওপর জোর দেন তিনি। 

বিনিয়োগ বাড়াতে ডিরেগুলেশনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্যবসার পথে অতিরিক্ত প্রতিবন্ধকতা থাকলে নতুন বিনিয়োগ আসবে না।

আরও পড়ুন