১৬ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০২:৪৯

শিরোনাম
উগ্রবাদে জিরো টলারেন্স, বিরোধীদলের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ২৬ কার্যদিবসে ১০ বিল পাসের মাধ্যমে বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক এয়ারবাসের বিমান সংগ্রহে সরকারের আগ্রহ, মিলল ইউরোপের আশ্বাস ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে চট্টগ্রাম চেম্বারের ১ কোটি টাকার অনুদান
শিরোনাম
উগ্রবাদে জিরো টলারেন্স, বিরোধীদলের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী ২৬ কার্যদিবসে ১০ বিল পাসের মাধ্যমে বাজেট অধিবেশনের সমাপ্তি কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক এয়ারবাসের বিমান সংগ্রহে সরকারের আগ্রহ, মিলল ইউরোপের আশ্বাস ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে চট্টগ্রাম চেম্বারের ১ কোটি টাকার অনুদান

ফিলিস্তিনের পক্ষে সরব ছিলেন ম্যারাডোনা

ফিলিস্তিনের পক্ষে সরব ছিলেন ম্যারাডোনা

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ জুলাই, ২০২৬, ২১:০৪

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই ফুটবল ইতিহাসের এক বিশেষ অধ্যায়। ১৯৮৬ বিশ্বকাপের স্মরণীয় লড়াইয়ের কারণে এই দুই দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতার সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার নাম।

আজ আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে দুই দল মুখোমুখি হওয়ার আগে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে প্রয়াত এই ফুটবল তারকার স্মৃতি। আর্জেন্টাইন সমর্থকদের কাছে তিনি শুধু একজন কিংবদন্তি নন, বরং জাতীয় গর্বের প্রতীক।

মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও মানবিক নানা ইস্যুতেও সরব ছিলেন ম্যারাডোনা। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের প্রতি তার প্রকাশ্য সমর্থন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচিত হয়েছিল। ২০১২ সালে তিনি নিজেকে ‘ফিলিস্তিনিদের সবচেয়ে বড় সমর্থক’ বলে উল্লেখ করেন এবং তাদের অধিকারের পক্ষে নির্ভয়ে অবস্থান নেওয়ার কথা জানান।

২০১৪ সালে গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানেরও কঠোর সমালোচনা করেছিলেন ম্যারাডোনা। তিনি ওই হামলাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেন। ২০১৮ সালে রাশিয়ায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি বলেন, “আমার হৃদয়ে ফিলিস্তিন, আমিও একজন ফিলিস্তিনি।”

ফিলিস্তিন ছাড়াও বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে প্রতিবাদী অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন ম্যারাডোনা। ভেনেজুয়েলার হুগো শাভেজ, কিউবার ফিদেল কাস্ত্রো এবং বলিভিয়ার ইভো মোরালেসের মতো নেতাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল।

২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর ম্যারাডোনার মৃত্যুর পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি ফিলিস্তিন থেকেও শোকবার্তা প্রকাশ করা হয়। ফুটবল মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি মানবিক ও রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেও তিনি আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

প্রতিফলন/এজে

আরও পড়ুন