২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০:০৬

শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা
শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা

প্রধান উপদেষ্টার ৭ দফা প্রস্তাব, রোহিঙ্গা সংকটে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান

প্রধান উপদেষ্টার ৭ দফা প্রস্তাব, রোহিঙ্গা সংকটে কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৮:৩৮

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট আট বছরেও নিরসিত হয়নি। আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ দুর্বল, আর তহবিল ঘাটতি দিন দিন প্রকট হচ্ছে।

তিনি বলেন, “এই সংকটের জন্ম মিয়ানমারে, সমাধানও সেখানেই নিহিত। তাই মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির ওপর চাপ বাড়াতে হবে, যেন সহিংসতা বন্ধ হয় এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন শুরু হয়।”

বাংলাদেশের আর্থসামাজিক ক্ষতি ও নিরাপত্তা ঝুঁকির কথাও তুলে ধরে ড. ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থানের সুযোগ বাংলাদেশের নেই।

সমস্যা সমাধানে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে সাত দফা প্রস্তাব দেন:
১. প্রত্যাবাসনের জন্য বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ ও রাখাইনে স্থিতিশীলতা
২. মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির ওপর কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ
৩. রাখাইনে আন্তর্জাতিক উপস্থিতি ও পর্যবেক্ষণ
৪. রোহিঙ্গাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অন্তর্ভুক্তিতে আস্থা তৈরির উদ্যোগ
৫. যৌথ প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনায় পূর্ণ অর্থায়ন
৬. জবাবদিহি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ
৭. মাদক অর্থনীতি ভেঙে সীমান্ত অপরাধ দমন

ড. ইউনূস বলেন, “বিশ্ব আর রোহিঙ্গাদের অপেক্ষায় রাখতে পারে না। এখনই সম্মিলিতভাবে চূড়ান্ত সমাধানের পথে এগোতে হবে।”

বাংলাদেশ এ বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন