২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০:০৪

শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা
শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা

ভ্রান্ত পরিবেশ ছাড়পত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

ভ্রান্ত পরিবেশ ছাড়পত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: উপদেষ্টা রিজওয়ানা

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১৪:০৯

পরিবেশ সুরক্ষায় ছাড়পত্র প্রদানে অনিয়ম এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগে গাফিলতির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) গাজীপুরের শ্রীপুরে বিশ্বব্যাংক আয়োজিত “স্ট্রেন্থিনিং এনভায়রনমেন্টাল রেগুলেটরি অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট ক্যাপাসিটি ফর এ সাসটেইনেবল বাংলাদেশ” শীর্ষক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, “ভ্রান্ত পরিবেশ ছাড়পত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইন প্রয়োগ মানে শুধু জরিমানা নয়, এর সঙ্গে স্বচ্ছতা, বিকল্প ব্যবস্থা ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বা অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে সংবেদনশীল এলাকায় দেওয়া ছাড়পত্রকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ ও ‘অবৈধ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, “রাজনৈতিক চাপ থাকলেও আপত্তি জানাতে হবে। না পারলে বদলি হন, কিন্তু পরিবেশের সঙ্গে আপস নয়।”

প্রধান দূষণকারী হিসেবে ডাইং, সিমেন্ট কারখানা এবং ইটভাটাকে চিহ্নিত করে উপদেষ্টা বলেন, “দূষণকারীদের নাম প্রকাশ্যে আনুন। তথ্য উন্মুক্ত রাখলে জনগণ নিজেরাই সচেতন হবে, রাজনৈতিক চাপ প্রতিরোধেও সহায়ক হবে।”

তিনি আরো বলেন, পরিবেশ ছাড়পত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে লাল ক্যাটাগরির শিল্পগুলোর ইআইএ প্রতিবেদন (EIA) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা উচিত এবং জনমত নেওয়ার প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে।

এ সময় একটি দূষণকারী সিরামিক কারখানাকে জাতীয় পুরস্কার দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “দূষণকারীদের পুরস্কৃত নয়, শাস্তি দিতে হবে।”

আরও পড়ুন