০৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২১:৫৯

শিরোনাম
সিলেটে নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন অনিয়মের অভিযোগে থামল ইন্টেরিমের ৬১ কোটি টাকার প্রকল্প প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯৪৬ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ডাচ রাষ্ট্রদূতের বৈঠক জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তুরস্কের সহায়তায় বগুড়ায় হবে ড্রোন নির্মাণ কারখানা: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
শিরোনাম
সিলেটে নতুন ডিসি আব্দুল্লাহ আল মামুন অনিয়মের অভিযোগে থামল ইন্টেরিমের ৬১ কোটি টাকার প্রকল্প প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯৪৬ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ডাচ রাষ্ট্রদূতের বৈঠক জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ তুরস্কের সহায়তায় বগুড়ায় হবে ড্রোন নির্মাণ কারখানা: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

অনিয়মের অভিযোগে থামল ইন্টেরিমের ৬১ কোটি টাকার প্রকল্প

অনিয়মের অভিযোগে থামল ইন্টেরিমের ৬১ কোটি টাকার প্রকল্প

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৯ জুলাই, ২০২৬, ২০:৪৪

জলবায়ু উদ্বাস্তু ও অসহায় মানুষের সহায়তার নামে প্রস্তাবিত সমাজসেবা অধিদপ্তরের ‘ইন্টিগ্রেট’ প্রকল্প বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মাত্র ৮ কোটি টাকা সহায়তা বিতরণের বিপরীতে ৫৩ কোটি টাকা প্রশাসনিক ও পরামর্শক ব্যয়ের প্রস্তাব নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে ৬১ কোটি টাকার এই প্রকল্প।

পরিকল্পনা কমিশনের প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় প্রকল্পটির অস্বাভাবিক ব্যয় কাঠামো, পরামর্শক নিয়োগ, বিদেশ ভ্রমণসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। পরে প্রকল্পটি অনুমোদন না দেওয়ার পক্ষে মত দেওয়া হয়।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাতিল করা হয়েছে।

জার্মান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জিআইজেড)-এর অর্থায়নে বাস্তবায়নের জন্য ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ৬১ কোটি ২৯ লাখ ৬৪ হাজার টাকার ‘ইন্টিগ্রেট’ প্রকল্পটি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়। প্রকল্পের আওতায় খুলনা, সাতক্ষীরা, রাজশাহী ও সিরাজগঞ্জের ৩০০ অসহায় মানুষকে ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল।

তবে প্রকল্পের মোট বরাদ্দের মধ্যে উপকারভোগীদের জন্য নির্ধারিত ছিল মাত্র ৮ কোটি ১০ লাখ ৯০ হাজার টাকা। বাকি ৫৩ কোটি ১৮ লাখ ৭৪ হাজার টাকা রাখা হয়েছিল ব্যবস্থাপনা ব্যয়, অফিস ভাড়া, পরামর্শক ও ভ্রমণ খাতে।

পিইসি সভায় কর্মকর্তারা জানান, প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যের তুলনায় আনুষঙ্গিক ব্যয় কয়েকগুণ বেশি হওয়ায় এটি গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে উপকারভোগী নির্বাচন ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।

পরিকল্পনা কমিশনের আপত্তি ও ব্যয় কাঠামোর অসংগতির কারণে শেষ পর্যন্ত প্রকল্পটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন