২৭ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১৭:০৮

শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা ও আর্থিক অনুদান বাড়ালো সরকার আগামী সপ্তাহ থেকে কমবে গ্যাস সংকট, আশার কথা জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী 'সাংবাদিকতা পেশা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি' রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি দেশে খাদ্য মজুত সক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করছে সরকার ৩০ জুলাই দিনব্যাপী সিএনজি স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার নবম পে-স্কেল দুই বছর পেছানোর সুপারিশ আইএমএফের মঙ্গলবার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
শিরোনাম
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতা ও আর্থিক অনুদান বাড়ালো সরকার আগামী সপ্তাহ থেকে কমবে গ্যাস সংকট, আশার কথা জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী 'সাংবাদিকতা পেশা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি' রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইসি দেশে খাদ্য মজুত সক্ষমতা ৩৪ লাখ টনে উন্নীত করছে সরকার ৩০ জুলাই দিনব্যাপী সিএনজি স্টেশন বন্ধের কর্মসূচি প্রত্যাহার নবম পে-স্কেল দুই বছর পেছানোর সুপারিশ আইএমএফের মঙ্গলবার বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে নতুন আইন, লোকসভায় তুমুল হট্টগোল

প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধে নতুন আইন, লোকসভায় তুমুল হট্টগোল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১৬:২৩

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে বিদ্যমান আইন আরও কঠোর করতে উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার। এ লক্ষ্যে লোকসভায় পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) (সংশোধনী) বিল-২০২৬ উত্থাপন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, ২০২৪ সালের আইনে সংশোধন এনে দেশের সরকারি পরীক্ষা ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ ও স্বচ্ছ করাই এ বিলের মূল উদ্দেশ্য।

সোমবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. জিতেন্দ্র সিং বিলটি উত্থাপন করেন। তবে বিল উপস্থাপনের সময়ই বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা স্লোগান ও হট্টগোল শুরু করেন, যার ফলে সংসদে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা বিরোধী সদস্যদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিলটি নিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে আলোচনার যথেষ্ট সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি জানান, যেসব সদস্য বিলে সংশোধনী প্রস্তাব দিতে চান, তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা জমা দিতে পারবেন।

স্পিকার আরও বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল আগে থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উত্থাপন করেছে। তাই এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সংসদে গঠনমূলক আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা উচিত।

তবে স্পিকারের একাধিক আহ্বান সত্ত্বেও বিরোধী সদস্যদের হট্টগোল অব্যাহত থাকে। এ পরিস্থিতিতে লোকসভা ও রাজ্যসভার কার্যক্রম প্রথমে দুপুর ২টা পর্যন্ত মুলতবি করা হয়। পরে অধিবেশন পুনরায় শুরু হলেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করায় স্পিকার বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবারও অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন