১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৯:৫৭

শিরোনাম
১৫ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম দীর্ঘ বিরতির পর চালু হচ্ছে ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার, আজই জানানো হবে সিদ্ধান্ত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ
শিরোনাম
১৫ বছরে দেশ থেকে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে তলব সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকার তিন বাস টার্মিনাল সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ১ আগস্ট থেকে সব গণপরিবহণে জিপিএস বাধ্যতামূলক ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নিয়ম দীর্ঘ বিরতির পর চালু হচ্ছে ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনায় গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার, আজই জানানো হবে সিদ্ধান্ত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানাল বাংলাদেশ

মার্কিন চুক্তি ঘিরে ইরানে বিক্ষোভের ঝড়

মার্কিন চুক্তি ঘিরে ইরানে বিক্ষোভের ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫ জুন, ২০২৬, ১৮:২৯

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির বিরোধিতা করে ইরানের রাজধানী তেহরান ও মাশহাদে বিক্ষোভ করেছেন কট্টরপন্থি সমর্থকরা। বিক্ষোভে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল আরব আল জাদিদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের একটি কেন্দ্রীয় চত্বরে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীরা আরাগচির পদত্যাগ দাবি করেন। তারা ‘আরাগচি, লজ্জা করো, দেশ ছেড়ে চলে যাও’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। একই সঙ্গে গালিবাফকেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়।

একই সময়ে মাশহাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি কার্যালয়ের সামনে পৃথক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অংশগ্রহণকারীরাও সম্ভাব্য মার্কিন-ইরান সমঝোতার বিরোধিতা করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্য অনুযায়ী, কিছু এলাকায় চুক্তির সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে উত্তেজনাও দেখা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকাশ্যে চুক্তির বিরোধিতা করা অধিকাংশ ব্যক্তি ও রাজনৈতিক কর্মী ইরানের রক্ষণশীল শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক সচিব সায়ীদ জালিলির ঘনিষ্ঠ মহল থেকে সবচেয়ে বেশি আপত্তি উঠে এসেছে।

এদিকে কট্টরপন্থি দৈনিক কায়হানের সম্পাদক হোসেইন শরিয়তমাদারি সম্ভাব্য সমঝোতার সমালোচনা করে প্রশ্ন তুলেছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের কৌশলগত প্রভাব কমানো কতটা যৌক্তিক হবে। তার মতে, এতে তেহরানের কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগের সক্ষমতা দুর্বল হতে পারে।

বিপ্লবী গার্ডঘনিষ্ঠ সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সিও আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দিষ্ট তারিখে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথা বললেও ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, আলোচনার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হলেও সেটি চূড়ান্ত চুক্তি নয়, বরং ভবিষ্যৎ আলোচনার একটি কাঠামো হিসেবে বিবেচিত হবে।

প্রতিফলন/ এনজেএস

আরও পড়ুন