১৬ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০:২০

শিরোনাম
এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধন আরও ১০ জেলা রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত করার পরিকল্পনা: রেলপথমন্ত্রী ফুটবল বিশ্বকাপে নিজের পছন্দের দল নিয়ে রহস্য রাখলেন তারেক রহমান আমিরাত থেকে দ্বিতীয় দফায় অপরিশোধিত তেল নিয়ে আসছে এমটি নিনেমিয়া আশুরার তাজিয়া মিছিলে ধারালো অস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন
শিরোনাম
এমপিদের কক্ষ নির্মাণে ৬ লাখ বরাদ্দ নিয়ম না মানলে সংসদ চলবে না: স্পিকার বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধন আরও ১০ জেলা রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত করার পরিকল্পনা: রেলপথমন্ত্রী ফুটবল বিশ্বকাপে নিজের পছন্দের দল নিয়ে রহস্য রাখলেন তারেক রহমান আমিরাত থেকে দ্বিতীয় দফায় অপরিশোধিত তেল নিয়ে আসছে এমটি নিনেমিয়া আশুরার তাজিয়া মিছিলে ধারালো অস্ত্র বহনে নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়নে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন

‘সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটি এখন বোঝা’

‘সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন ঘাঁটি এখন বোঝা’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:১৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ শিক্ষাবিদ এবং দেশটির নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আব্দুলখালেক আব্দুল্লাহ বলেছেন, এখন সময় এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার বিষয়ে বিবেচনা করার। তার মতে, এগুলো এখন আর কোনও ‘কৌশলগত সম্পদ’ নয়, বরং একটি ‘বোঝা’।

রবিবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের কাছেও তিনি একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছিলেন।

আব্দুলখালেক আব্দুল্লাহ লেখেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এখন আর নিজেদের রক্ষার জন্য আমেরিকাকে প্রয়োজন নেই। ইরানের আগ্রাসনের সময় দেশটি প্রমাণ করেছে যে, তারা নিজেদের রক্ষার সক্ষমতা রাখে।

তিনি আরও বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের এখন যা প্রয়োজন, তা হলো আমেরিকার সেরা এবং অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রগুলো সংগ্রহ করা। তাই মার্কিন ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার বিষয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে, কারণ এগুলো এখন আর কৌশলগত সম্পদ নয়, বরং একটি বোঝা।

উল্লেখ্য, কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৯টি ঘাঁটি রয়েছে, যার মধ্যে আটটিকে স্থায়ী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যুদ্ধ শুরুর আগে এ অঞ্চলে প্রায় ৪০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন ছিল। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতেই রয়েছে ৩ হাজার ৫০০ মার্কিন সেনা। এছাড়া দেশটিতে আল-দাফরা বিমানঘাঁটি রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও আমিরাত যৌথভাবে ব্যবহার করে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আমিরাত ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। ইরান কেবল ইসরায়েল নয়, উপসাগরীয় দেশগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে। বিশেষ করে আমিরাত এই যুদ্ধের প্রভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মার্চ মাস পর্যন্ত তেহরান আমিরাতের ওপর ৩৯৮টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১ হাজার ৮৭২টি ড্রোন এবং ১৫টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

এই যুদ্ধের ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। দেশটির অর্থনীতি মূলত পর্যটন, রিয়েল এস্টেট, লজিস্টিকস ও অর্থ খাতের ওপর নির্ভরশীল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে দুবাই ও আবুধাবির শেয়ার বাজারে ১২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাজার মূলধন কমেছে। পাশাপাশি ১৮ হাজার ৪০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

মার্চ মাসের শেষ নাগাদ দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট সূচক যুদ্ধের আগের তুলনায় অন্তত ১৬ শতাংশ কমেছে। যদিও আমিরাতের ওপর চালানো অধিকাংশ আক্রমণ প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে, তবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে আবুধাবি ও দুবাইয়ে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বুর্জ আল আরব, পাম জুমেইরাহ, দুবাই বিমানবন্দর এবং ফুজাইরাহ তেল শিল্পাঞ্চল অন্যতম।

আরও পড়ুন