০৬ জুলাই ২০২৬, সোমবার, ১৬:০৫

শিরোনাম
হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, একদিনে শনাক্ত ১৫৯ আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন কমিটি, সভাপতির দায়িত্বে আইনমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
শিরোনাম
হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, একদিনে শনাক্ত ১৫৯ আগামীর বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জুবাইদা রহমানের প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ যুবরাজের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সরকারি ক্রয় কার্যক্রমে নতুন কমিটি, সভাপতির দায়িত্বে আইনমন্ত্রী অপ্রয়োজনীয় সিজার কমাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৩৮, আহত ৫৬১: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

নিজের শহরের মতোই তেহরানকে চিনত ইসরায়েল: চাঞ্চল্যকর তথ্য

নিজের শহরের মতোই তেহরানকে চিনত ইসরায়েল: চাঞ্চল্যকর তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৩ মার্চ, ২০২৬, ২৩:১৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার পেছনে দীর্ঘ দুই দশকের সুক্ষ্ম ও শ্রমসাধ্য গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়েছে ইসরায়েল। তেহরানের ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করা থেকে শুরু করে মোবাইল টাওয়ারের নিয়ন্ত্রণ—সবই ছিল ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের নখদর্পণে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস (এফটি)-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার খামেনি যেখানে নিহত হন, তেহরানের সেই পাস্তুর স্ট্রিট এলাকায় ইরানি কর্মকর্তাদের দেহরক্ষী ও চালকদের গতিবিধি দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণ করছিল ইসরায়েল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তেহরানের প্রায় সব ট্রাফিক ক্যামেরা বহু আগে থেকেই হ্যাক করে সেগুলোর ভিডিও ইসরায়েলের সার্ভারে পাঠানো হতো। উন্নত অ্যালগরিদম ব্যবহার করে খামেনির দেহরক্ষীদের রুটিন ও নিরাপত্তা বলয়ের একটি ‘জীবনযাত্রার মানচিত্র’ তৈরি করা হয়েছিল।

হামলার আগমুহূর্তে তেহরানের মোবাইল টাওয়ারগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয় ইসরায়েলি গোয়েন্দারা। ফলে ব্যস্ত লাইনের কারণে নিরাপত্তা সদস্যরা কোনো সতর্কবার্তা পাঠাতে পারেননি। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ও সিগনাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট-৮২০০ গাণিতিক পদ্ধতি ব্যবহার করে শত শত কোটি তথ্য বিশ্লেষণ করে এই নিখুঁত ‘টার্গেট’ নির্ধারণ করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর ঠিক আগে সাইবার হামলার মাধ্যমে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি দুর্বল করে দেওয়া হয়।

সাবেক মোসাদ কর্মকর্তাদের মতে, ২০০১ সালে এরিয়েল শ্যারনের সময় থেকেই ইরানকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু করে এই কৌশল সাজানো হয়েছিল। শনিবার খামেনি যখন তার কার্যালয়ে বৈঠকে বসছিলেন, তখন তিনি কোনো সুরক্ষিত বাঙ্কারে ছিলেন না—এমন খবর নিশ্চিত হওয়ার পরেই হামলা চালানো হয়। ‘স্প্যারো’ নামের বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে নিখুঁত নিশানায় খামেনির কমপ্লেক্সে প্রায় ৩০টি আঘাত হানে ইসরায়েল। এই সফল অভিযানকে দুই দশকের গোয়েন্দা প্রস্তুতির চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আরও পড়ুন