০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০০:০৪

শিরোনাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাষ্ট্রজুড়ে বিশাল আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, সংসদে অভিযোগ রুমিন ফারহানার ডেঙ্গু মোকবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ১ লাখ স্যালাইন অনুদান দিচ্ছে বাপি আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী জেট ফুয়েলের দাম কমালো বিইআরসি জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ সাবেক এমপির নাম দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু সরকারি সফরে চীন গেলেন তথ্যমন্ত্রী
শিরোনাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে রাষ্ট্রজুড়ে বিশাল আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, সংসদে অভিযোগ রুমিন ফারহানার ডেঙ্গু মোকবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ১ লাখ স্যালাইন অনুদান দিচ্ছে বাপি আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানালেন প্রধানমন্ত্রী জেট ফুয়েলের দাম কমালো বিইআরসি জাতীয় সংসদের শোক প্রস্তাবে তোফায়েল আহমেদসহ ১৬ সাবেক এমপির নাম দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু সরকারি সফরে চীন গেলেন তথ্যমন্ত্রী

চোখ রাঙাচ্ছে এল নিনো

চোখ রাঙাচ্ছে এল নিনো

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭ জুন, ২০২৬, ১০:৩৯

বিশ্বজুড়ে খরা, তাপপ্রবাহ, অতিবৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি আবারও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করছেন আবহাওয়াবিদেরা। এর অন্যতম কারণ জলবায়ুগত ঘটনা এল নিনোর সম্ভাব্য সক্রিয়তা। ডব্লিউএমও বলছে, এল নিনোর প্রভাবে আগামী মাসগুলোতে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও তীব্র হতে পারে।

এমন এক সময়ে এই শঙ্কা দেখা দিয়েছে, যখন বিশ্ব ইতিমধ্যে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তা সংকট ও বিভিন্ন ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিরূপ আবহাওয়ার কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হলে খাদ্য সরবরাহ ও অর্থনীতির ওপরও চাপ বাড়বে।

জাতিসংঘের মহাসচিব António Guterres সতর্ক করে বলেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এল নিনো ফিরে আসার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। তাই বিষয়টিকে বৈশ্বিক জরুরি আবহাওয়া সতর্কতা হিসেবে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রবণতা ইতিমধ্যে স্পষ্ট। বাংলাদেশেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তীব্র তাপপ্রবাহ বেড়েছে। অনেক সময় প্রকৃত তাপমাত্রার তুলনায় অনুভূত তাপমাত্রা কয়েক ডিগ্রি বেশি থাকে। একই চিত্র দেখা যাচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেনসহ বিভিন্ন গ্রিনহাউস গ্যাসের মাত্রা বেড়ে যাওয়াই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ। শিল্পবিপ্লবের পর থেকে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে চরম আবহাওয়ার ঘটনা আরও ঘন ঘন ঘটছে।

বিশ্বের মোট কার্বন নিঃসরণের বড় অংশের জন্য দায়ী চিন, আমেরিকা,ইন্ডিয়া, রাশিয়া এবং ইউরোপিয় ইউনিয়ন। ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে নির্গমন কমানোর অঙ্গীকার করা হলেও বাস্তবায়নে এখনও অনেক ঘাটতি রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং তাপপ্রবাহ দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। তাই এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, জলবায়ু অভিযোজন এবং বৈশ্বিক নির্গমন কমানোর উদ্যোগ জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।

আরও পড়ুন