২১ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার, ২০:৩৪

শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা
শিরোনাম
কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা গুম-ক্রসফায়ার ও অপতথ্যে শূন্য সহনশীলতা, সরকারের কঠোর বার্তা এমআরটি-৫ প্রকল্পে ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় কমাল সরকার, অনুমোদনের অপেক্ষায় ডিপিপি ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের যুদ্ধের বিভীষিকা পেরিয়ে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নাবিকরা মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: শোক, স্মৃতি আর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন ভাবনা ৩১ দফা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর গ্যাসের স্বল্পচাপে ভোগান্তিতে তিতাসের গ্রাহকরা

দুই মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রংপুরের গঙ্গাচড়া, শতাধিক পরিবার আশ্রয়হীন

দুই মিনিটের ঘূর্ণিঝড়ে লণ্ডভণ্ড রংপুরের গঙ্গাচড়া, শতাধিক পরিবার আশ্রয়হীন

প্রকাশিত: ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৪৫

রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলায় মাত্র দুই মিনিটের আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে দুটি ইউনিয়নের একাধিক গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। রোববার (৫ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে আলমবিদিতর ও নোহালী ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই ঝড় ও প্রবল বৃষ্টিতে শতাধিক কাঁচা-পাকা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। গাছপালা উপড়ে এবং বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় পুরো এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঝড়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামগুলোর নিম্ন আয়ের মানুষ। আলমবিদিতর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নাজমুল হোসেন বলেন, “কিছু বুঝে ওঠার আগেই চোখের পলকে ঘরের টিনের চাল উড়ে গেল। হঠাৎ এমন ঝড়ে সব জিনিসপত্র ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে এখন পাশের একটি স্কুলে আশ্রয় নিয়েছি।” একই এলাকার সিরাজুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার পাকা ধানক্ষেত মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। বাড়ি ভেঙে ছেলের মাথায় আঘাত লেগেছে, তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। এখন কীভাবে সংসার চলবে, কিছুই জানি না।”

কুতুব গ্রামের সফিয়ার রহমান জানান, ঝড়ে তার ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন, “বাচ্চাদের কান্না থামাতেই পারছিলাম না। কোথায় যাব, কী করব—কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। সরকারি সাহায্য ছাড়া আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর কোনো উপায় নেই।”

খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সজিবুল করীম জানান, প্রাথমিক হিসাবে শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জরুরি ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, “উপজেলা প্রশাসনের একটি দল ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শুরু করেছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।”

আরও পড়ুন