০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৫:১৩

শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট
শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট

কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুন, মালিক পলাতক

কেরানীগঞ্জে কারখানায় আগুন, মালিক পলাতক

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২৩:৪৯

ঢাকার কেরানীগঞ্জের আকরাম গ্যাস লাইটার কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে আহত হয়েছে ১৫ জন। ঘটনার পর পলাতক রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক আকরাম মিয়া। তার খোঁজ করছে পুলিশ।

আকরাম কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা এলাকার বাসিন্দা। অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া কারখানার সামনে নিখোঁজদের স্বজনরা ভিড় করছে।

এদিকে শনিবার (০৪ এপ্রিল) দুপুরে লাগায় আগুন ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিটের প্রায় দেড় ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, ‘শনিবার দুপুরে আগুনের খবর পাওয়ার পরপরই সাতটি ইউনিট একসঙ্গে কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ইউনিটগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন ছড়িয়ে পড়া রোধ করা সম্ভব হয়েছে। দুপুর আড়াইটায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। নিহতদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ১৫ জন। আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

স্থানীয় নুর ইসলাম জানান, হঠাৎ করেই কারখানার ভেতর থেকে বিকট শব্দ শোনা যায়। এরপর মুহূর্তেই আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কারখানায় থাকা দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন আরো ভয়াবহ রূপ নেয়।

স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জানান, এই কারখানাটিতে এর আগেও একবার আগুন লেগেছিল। তখন উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় গণ্যমান্য লোকজন অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে সচেতন হতে বলেছিল, কিন্তু তারা তা মানেনি তাই ফের অগ্নিকাণ্ড ঘটল।

ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, কারখানায় গ্যাস লাইটার তৈরির কাঁচামাল ও দাহ্য উপকরণ থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে যাতে আগুন আশপাশের ভবনগুলোতে ছড়িয়ে না পড়ে। আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ, ক্ষয়ক্ষতির সুনির্দিষ্ট পরিমাণের তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। 

এ বিষয়ে ঢাকা বিভাগের ফায়ার সার্ভিস উপপরিচালক মো. ছালেহ উদ্দিন বলেন, ‘বিভিন্ন অগ্নিকাণ্ডের তদন্তে কারখানা মালিকদের ব্যাপক গাফিলতি ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব খুঁজে পাওয়া যায়। কারখানার মালিকপক্ষকে সচেতন হওয়ার কথা বলা হয়ে থাকে এবং অগ্নিনিরাপত্তার দিকে জোর দেওয়ার কথা বলা হয়ে থাকে, কিন্তু তারা আমাদের কথা কর্ণপাত না করে তাদের মর্জিমতো কাজ করতে গিয়ে এ ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হয়। কেরানীগঞ্জের ঘটনাটি তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।’

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল (দক্ষিণ) সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ ও কেরানীগঞ্জ রাজস্ব সার্কেল সহকারী কমিশনার (ভূমি) জানাতুর মাওয়া। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।

আরও পড়ুন