২৯ জুন ২০২৬, সোমবার, ১৫:৩২

শিরোনাম
হার্টের রিং ও চোখের লেন্সের খরচ প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে-প্রধানমন্ত্রী এবারের বাজেট হবে বাস্তবমুখী ও জীবনবান্ধব’: প্রধানমন্ত্রী ইউনিয়ন পর্যায়ে গঠিত হচ্ছে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে শুরু হচ্ছে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি এক ঘণ্টার কম সময়ে বাংলাদেশের আশপাশে তিনটি ভূমিকম্প, নতুন করে উদ্বেগ উত্তরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা বাড়ছে, তিস্তাসহ চার নদীর পানি সতর্কসীমায় দুটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, রাজধানীসহ দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প
শিরোনাম
হার্টের রিং ও চোখের লেন্সের খরচ প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে-প্রধানমন্ত্রী এবারের বাজেট হবে বাস্তবমুখী ও জীবনবান্ধব’: প্রধানমন্ত্রী ইউনিয়ন পর্যায়ে গঠিত হচ্ছে দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে শুরু হচ্ছে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি এক ঘণ্টার কম সময়ে বাংলাদেশের আশপাশে তিনটি ভূমিকম্প, নতুন করে উদ্বেগ উত্তরাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা বাড়ছে, তিস্তাসহ চার নদীর পানি সতর্কসীমায় দুটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ, রাজধানীসহ দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের শঙ্কা মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তে ৪.৪ মাত্রার ভূমিকম্প

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করতে ডিপিইর নতুন নির্দেশনা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করতে ডিপিইর নতুন নির্দেশনা

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ জুন, ২০২৬, ১৪:০৪

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চতুর্থ শ্রেণি থেকে জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিদ্যালয়গুলোতে খেলার মাঠের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার বিষয়ে।

রোববার (২৮ জুন) অধিদপ্তরের সেকশন-২ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আদেশে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গত ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ রয়েছে, সেগুলো খেলাধুলার উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় চাহিদা নিরূপণ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ আনার উদ্যোগ নিতে হবে।

এছাড়া দেশের প্রায় ১১ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো খেলার মাঠ নেই উল্লেখ করে এসব বিদ্যালয় সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিস্তারিত তথ্যসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভবিষ্যতে নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব পাঠানোর আগে সেখানে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

যেসব বিদ্যালয়ের নিজস্ব মাঠ নেই, সেসব ক্ষেত্রে আশপাশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি মালিকানাধীন মাঠ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহারের লক্ষ্যে সমঝোতা বা চুক্তি করার উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদ, মন্দির, খালি জায়গা, পতিত জমি কিংবা অন্য কোনো সরকারি সংস্থার মাঠ স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় খেলাধুলার জন্য ব্যবহারের ব্যবস্থাও নিতে বলা হয়েছে।

যেসব বিদ্যালয়ে মাঠের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়, সেখানে বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে দাবা, ক্যারামসহ বিভিন্ন ইনডোর গেমসের সরঞ্জাম সরবরাহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন, প্রতিদিন পাঠদান শেষে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের মাঠ শিশুদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগত কাজের দক্ষতা বাড়বে। পাশাপাশি বিদ্যালয়ভিত্তিক খেলাধুলার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে।

আরও পড়ুন