০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৬:৪৮

শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫
শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫

চ্যাটজিপিটিতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

চ্যাটজিপিটিতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ

প্রতিফলন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৮ মে, ২০২৬, ২১:১৮

চ্যাটজিপিটির সঙ্গে ব্যবহারকারীর নিভৃত আলাপচারিতা আর পুরোপুরি গোপন থাকছে না। ওপেনএআই সম্প্রতি ‘ট্রাস্টেড কনট্যাক্ট’ নামে একটি নতুন ফিচার চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে যদি কোনো ব্যবহারকারীর কথোপকথনে আত্মক্ষতি, আত্মহত্যার ঝুঁকি বা গুরুতর মানসিক বিপর্যয়ের ইঙ্গিত পাওয়া যায়, তবে তাঁর নির্ধারিত ‘বিশ্বস্ত ব্যক্তির’ কাছে সতর্কবার্তা পাঠানো হবে।

ওপেনএআই জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়াটি ‘ডিটেক্ট অ্যান্ড ভেরিফাই’ মডেলে কাজ করবে। প্রথমে এআই সিস্টেম ঝুঁকিপূর্ণ শব্দ শনাক্ত করবে এবং পরে মানব মডারেশন টিম তা পর্যালোচনা করবে। ঝুঁকি নিশ্চিত হলে ব্যবহারকারীর পরিবার বা বন্ধুকে সতর্ক করা হবে যাতে তাঁরা দ্রুত খোঁজ নিতে পারেন। তবে প্রতিষ্ঠানটি আশ্বস্ত করেছে যে, চ্যাটের কোনো ব্যক্তিগত তথ্য বা কপি কারো সঙ্গে শেয়ার করা হবে না।

এই ফিচার নিয়ে ইতিমধ্যে বিশেষজ্ঞ মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি জীবন বাঁচাতে সহায়ক হলেও ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় বড় হস্তক্ষেপ। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষের জটিল মানসিক অবস্থা বোঝার মতো ‘মানবিক বিচক্ষণতা’ অ্যালগরিদমের নেই। এর ফলে ভুল সতর্কবার্তা যাওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়।

অন্যদিকে, প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ফিচারের কারণে ব্যবহারকারীদের মধ্যে ‘সেলফ-সেন্সরশিপ’ বা আত্মনিয়ন্ত্রণ বেড়ে যেতে পারে। মানুষ যদি মনে করে তাদের কথা অন্য কেউ জেনে যাবে, তবে তারা এআই-এর কাছে আর আগের মতো খোলামেলা হতে পারবে না। যদিও প্রযুক্তিটি জীবন রক্ষায় একটি বড় পদক্ষেপ, তবে বাস্তব মানবিক সহায়তার বিকল্প হিসেবে এটি কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেছে।

আরও পড়ুন