ঢাকার জলাবদ্ধতা কমাতে নতুন কর্মপরিকল্পনা, বাড়ছে পানি নিষ্কাশন সক্ষমতা
নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ জুন, ২০২৬, ১২:৪৯
রাজধানীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে দখল হওয়া খাল উদ্ধার, পরিকল্পিত ড্রেন নির্মাণ এবং নর্দমা ও বক্স কালভার্ট থেকে পলিথিন ও বর্জ্য অপসারণে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য আরও দুটি নতুন আউটলেট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির সময় পোর্টেবল পাম্প ও বিদ্যমান পাম্প স্টেশনের মাধ্যমে দ্রুত পানি অপসারণ করা হবে। পাশাপাশি বৃষ্টির পানি দ্রুত আশপাশের নদীতে প্রবাহিত করার ব্যবস্থাও জোরদার করা হচ্ছে।
তিনি জানান, বর্তমানে কমলাপুর টিটিপাড়া, ধোলাইখাল ও হাতিরঝিলে তিনটি আউটলেট দিয়ে প্রায় ১০৯ দশমিক ২৪ বর্গকিলোমিটার এলাকার পানি নিষ্কাশন করা হয়, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। তাই নতুন দুটি আউটলেট নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, খাল থেকে ভাসমান বর্জ্য ও পলি অপসারণের কাজ চলমান রয়েছে। জলাবদ্ধতা কমাতে ডিএনসিসির আওতাধীন ২৯টি খাল দখলমুক্ত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি হটস্পট এলাকাগুলোতে সাড়ে তিন শতাধিক কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন।
ডিএসসিসি জানিয়েছে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মেট্রো ঢাকা রেজিলিয়েন্স প্রকল্পের আওতায় গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত একটি বড় ড্রেনেজ আউটলেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া শ্যামপুর খাল দিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীতে পানি নিষ্কাশনের জন্য বক্স কালভার্ট ও বড় আকারের নর্দমা নির্মাণকাজও চলছে।
এ ছাড়া নিউমার্কেট, গ্রিন রোড, শান্তিনগর, মুগদা মেডিকেল, পশ্চিম মালিবাগসহ প্রায় ৩৩টি জলাবদ্ধতাপ্রবণ এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ২২টি খাল পরিষ্কার ও পুনঃখনন, চারটি বক্স কালভার্ট পরিষ্কার এবং ওয়ার্ডভিত্তিক নর্দমা পরিষ্কারের কার্যক্রম চলছে। দ্রুত পানি অপসারণে ছয়টি পোর্টেবল পাম্পও স্থাপন করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরিকল্পিত নগরায়ন, খাল ভরাট, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্যে ড্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়াই ঢাকার জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ। তারা নদী ও খাল পুনরুদ্ধার, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, পাম্প স্টেশনের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দুই সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
বর্তমানে রাজধানীর ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, গ্রিন রোড, ফার্মগেট, কাওরান বাজার, আগারগাঁও, মিরপুর, মালিবাগ, খিলগাঁও, কমলাপুর, গোপীবাগ, পল্টন, ফকিরাপুল, সায়েদাবাদসহ বেশ কয়েকটি এলাকা জলাবদ্ধতার প্রধান ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত।
প্রতিফলন/রাশ
আরও পড়ুন
- • বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান রিজভীর
- • বাব আল-মান্দেব অবরোধের হুমকিতে বিশ্ব তেল বাজারে নতুন উদ্বেগ
- • জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মোজাফফরকে ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ
- • হামের প্রকোপে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ১ হাজারের বেশি
- • দিল্লিতে বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত ১১৮ পুলিশ সদস্য; গ্রেপ্তার ৭০
- • ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পের তাণ্ডবে এই পর্যন্ত প্রাণ ছাড়াল ৫ হাজার
- • এইচএসসি পরীক্ষার নতুন সময়সূচির ভাইরাল বিজ্ঞপ্তি ভুয়া, সতর্ক করল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড
- • ইরান যুদ্ধে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারে লন্ডনের ওপর চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- • সরকার কোনো উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না: প্রধানমন্ত্রী
- • কাতারের সাবেক আমিরের নামে ঢাকায় সড়কের নামকরণের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর
- • ১০ হাজার পুলিশ নিয়োগের পরিকল্পনা করছে সরকার
- • আগামী ৫ দিন ভারী বর্ষণের আশঙ্কা: আবহাওয়া অধিদপ্তর
- • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের বৈঠক
- • বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
- • হঠাৎ কাতার সফরে গেলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- • বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব
- • চলমান যুদ্ধে প্রথমবারের মতো সিরিয়ায় হামলা চালাল ইরান
- • কাতারে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ ঘাঁটিতে ইরানের হামলা
