২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৫:০৭

শিরোনাম
আগস্টেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে রূপপুরের বিদ্যুৎ পাঁচ দিনের সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ায় গেলেন সেনাপ্রধান দেশে কমছে গুরুতর অপরাধ, মাঠ প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে ইতিবাচক পরিবর্তন শিল্পের পূর্ণ উৎপাদনে গ্যাস সংকট দূর করার আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর সারা দেশে শুরু ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন ভারতের মেডিকেলে ক্লাস নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের পলাতক সাবেক এমপি নতুন বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আশ্বাস দিয়েছে মালয়েশিয়া ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের প্রাণহানি
শিরোনাম
আগস্টেই জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে রূপপুরের বিদ্যুৎ পাঁচ দিনের সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়ায় গেলেন সেনাপ্রধান দেশে কমছে গুরুতর অপরাধ, মাঠ প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে ইতিবাচক পরিবর্তন শিল্পের পূর্ণ উৎপাদনে গ্যাস সংকট দূর করার আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর সারা দেশে শুরু ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন ভারতের মেডিকেলে ক্লাস নিচ্ছেন আওয়ামী লীগের পলাতক সাবেক এমপি নতুন বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের আশ্বাস দিয়েছে মালয়েশিয়া ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের প্রাণহানি

সংসদে ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব, নেপথ্যে কী?

সংসদে ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব, নেপথ্যে কী?

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ জুন, ২০২৬, ১৩:৩৫

জাতীয় সংসদে ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব দিয়েছেন নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুব উদ্দিন খোকন। তাঁর দাবি, এতে অপ্রদর্শিত অর্থ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে আসবে, কালো টাকা শনাক্ত করা সহজ হবে এবং অর্থনীতিতে নগদ অর্থের প্রবাহ বাড়বে।

রোববার (২৮ জুন) বাজেট অধিবেশনে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, অনেকেই ব্যাংকে না রেখে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ঘরে সংরক্ষণ করছেন। আবার দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের কাছেও বড় অঙ্কের নগদ অর্থ রয়েছে। তাই এক থেকে দুই মাসের মধ্যে ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট ব্যাংকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলে সেই অর্থ আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে আসবে।

মাহবুব উদ্দিন খোকনের মতে, নির্দিষ্ট হারে ২০ থেকে ২৫ শতাংশ কর পরিশোধের সুযোগ দিয়ে এসব অর্থ বৈধ করার ব্যবস্থা করা হলে সরকারের রাজস্ব বাড়বে, বিনিয়োগে গতি আসবে এবং অর্থনীতিতে তারল্য বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে তিনি দেশে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যাংক রয়েছে উল্লেখ করে ব্যাংকের সংখ্যা কমানোরও আহ্বান জানান।

অর্থ পাচারের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনার কথা বলা হলেও বাস্তবে তেমন সাফল্য আসেনি। তাই অর্থ দেশে রাখার মতো আস্থাশীল আর্থিক ও আইনি পরিবেশ তৈরি করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল

খোকনের প্রস্তাবের সঙ্গে ভারতের ২০১৬ সালের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের মিল রয়েছে। সে সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আকস্মিকভাবে ৫০০ ও ১,০০০ রুপির নোটের বৈধতা বাতিল করেন। লক্ষ্য ছিল কালো টাকা, জাল নোট ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন দমন এবং মানুষকে ব্যাংকিং ও ডিজিটাল লেনদেনে উৎসাহিত করা।

এর ফলে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ব্যাংকে জমা পড়ে এবং ডিজিটাল লেনদেন ও করদাতার সংখ্যা বাড়ে। তবে উদ্যোগটির কার্যকারিতা নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়। কারণ, ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া প্রায় ৯৯ দশমিক ৩ শতাংশ নোটই শেষ পর্যন্ত ব্যাংকে জমা পড়ে। ফলে কালো টাকা উদ্ধারের মূল লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছিল, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের একটি বড় অংশ প্রশ্ন তুলেছেন।

আরও পড়ুন