০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৫:৩০

শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট
শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে আলোচনায় বসার আহ্বান চীনের

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানকে আলোচনায় বসার আহ্বান চীনের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০১:৩৯

আফগানিস্তান ও পাকিস্তান সীমান্তে চলমান উত্তেজনা এবং প্রাণঘাতী সংঘাত ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চীন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উভয় পক্ষকে অবিলম্বে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা নিজস্ব কূটনৈতিক মাধ্যম ব্যবহার করে দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বেইজিং মনে করে, উত্তেজনা কমিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে তারা সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “প্রতিবেশী ও বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে চীন বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সীমান্তে সংঘাতে হতাহতের ঘটনায় আমরা অত্যন্ত দুঃখিত। যে কোনো ধরনের সামরিক উত্তেজনা উভয় দেশের সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষতিকর।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সংঘাত বন্ধ করা উভয় দেশ ও তাদের জনগণের মৌলিক স্বার্থের সঙ্গে জড়িত। বেইজিং বিশ্বাস করে, আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে স্থিতিশীলতা ফিরে এলে তা সামগ্রিক আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে সহায়ক হবে। দীর্ঘ সীমান্ত বিরোধ ও সাম্প্রতিক সময়ের পাল্টাপাল্টি হামলার জেরে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক এখন তলানিতে ঠেকেছে।

আরও পড়ুন