১৯ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ০৩:০৪

শিরোনাম
‘সিক্সটিন হানড্রেড মাইল অফ কাঁচা রাস্তা’, সমালোচনার পর মুখ খুললেন এমপি জেবা চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নন্দিনী হত্যা মামলার দ্রুত বিচার হবে, আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার
শিরোনাম
‘সিক্সটিন হানড্রেড মাইল অফ কাঁচা রাস্তা’, সমালোচনার পর মুখ খুললেন এমপি জেবা চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক নন্দিনী হত্যা মামলার দ্রুত বিচার হবে, আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর গম চাষে তামাকের জমি ব্যবহারের পরিকল্পনা কৃষিমন্ত্রীর আড়াই বছরে জাপানে ৫ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য বিকেটিটিসির চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ রেকর্ড পিলারের নিচের মাটি নয়, সরানো হয়েছে নির্মাণকাজের অস্থায়ী রাস্তা: সড়ক ও রেলমন্ত্রী সংসদে মাথা ঝুঁকিয়ে প্রবেশ বা ত্যাগের প্রথা বাতিল করলেন স্পিকার

মমতাকে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিলীপ ঘোষের

মমতাকে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিলীপ ঘোষের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ জুন, ২০২৬, ০১:৪৯

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সম্প্রতি মুসলমানদের নামাজ নিয়ে করা মন্তব্যের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তিনি সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন।

বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘিরে। সম্প্রতি প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা তার দুই ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে বদলি করে নতুন তিনজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব গ্রহণ করতে দেননি মমতা। পরিবর্তে তিনি নিজের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।

এই ঘটনা নিয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ বা বদলির বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া উচিত। নিজের উদাহরণ টেনে তিনি দাবি করেন, অতীতে সরকার তাকে যাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছিল, তিনি তা মেনে নিয়েছিলেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পূর্ববর্তী শাসনামলের বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ক্ষমতায় থাকাকালে বিভিন্ন পদে কর্মকর্তাদের বদলির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মমতা নিজেই। তাই বর্তমান সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি তোলার সুযোগ নেই।

একপর্যায়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, যদি কেউ দেশের আইন, সংবিধান ও সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না চান, তাহলে তার এ দেশে থাকার যৌক্তিকতা থাকে না। এ প্রসঙ্গেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার মন্তব্য করেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এদিকে দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা তার বক্তব্যকে উসকানিমূলক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বলে সমালোচনা করছেন। অন্যদিকে বিজেপির একাংশ তার মন্তব্যকে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যাখ্যা করছে।

আরও পড়ুন