০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৬:৪৮

শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫
শিরোনাম
৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট জুলাই প্রতিবেদন নিয়ে আওয়ামী লীগের আপত্তি খারিজ করল জাতিসংঘ পঞ্চমবারের মতো সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাউদ্দিন মায়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পদ হারালেন যুগ্মসচিব প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে প্রস্তুতি, থাকছে যেসব কর্মসূচি ১৪ জুন কক্সবাজারে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিপেইড মিটারে স্বস্তি, বাতিল মাসিক চার্জ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৬৫

বুধবার বিরল উল্কাবৃষ্টির সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ববাসী

বুধবার বিরল উল্কাবৃষ্টির সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ববাসী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৬ মে, ২০২৬, ০০:১৯

মহাকাশপ্রেমীদের জন্য চলতি সপ্তাহে এক দারুণ মহাজাগতিক দৃশ্য অপেক্ষা করছে।

বুধবার (০৬ মে) ভোরের আকাশে দেখা যাবে ‘এটা অ্যাকুয়ারিড’ (Eta Aquariid) নামক চমৎকার এক উল্কাবৃষ্টি। আমেরিকান মেটিওর সোসাইটির তথ্যমতে, বুধবার ভোরের ঠিক আগের কয়েক ঘণ্টা এই দৃশ্য দেখার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।

সোসাইটির ফায়ারবল রিপোর্ট সমন্বয়কারী রবার্ট লুনসফোর্ড জানিয়েছেন, ভোরের আগের শেষ কয়েক ঘণ্টাই এই উল্কাবৃষ্টি দেখার একমাত্র সুযোগ। কারণ, আকাশের ‘অ্যাকুয়ারিয়াস’ বা কুম্ভ রাশি—যেখান থেকে উল্কাগুলো ছড়িয়ে পড়ে, তা রাত ৩টার আগে দিগন্তের ওপরে দৃশ্যমান হয় না। সাধারণত দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলো থেকে এই দৃশ্য সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে, যেখানে ঘণ্টায় প্রায় ৪০টি পর্যন্ত উল্কা দেখা যেতে পারে। তবে উত্তর গোলার্ধে উজ্জ্বল চাঁদের আলোর কারণে দৃশ্যমানতা কিছুটা কম হতে পারে।

নাসা (NASA) জানিয়েছে, এই উল্কাগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন—যা প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪৪ মাইল বা ৬৬ কিলোমিটার বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। দ্রুতগতির কারণে অনেক সময় উল্কা মিলিয়ে যাওয়ার পরও আকাশে আগুনের মতো আলোর রেখা কিছুক্ষণ স্থায়ী হতে দেখা যায়। বিখ্যাত ‘হ্যালির ধূমকেতু’র (১পি/হ্যালি) রেখে যাওয়া ধূলিকণা ও পাথুরে অবশিষ্টাংশের কক্ষপথ পৃথিবী অতিক্রম করার সময় এই চমৎকার উল্কাবৃষ্টির সৃষ্টি হয়।

যেভাবে দেখবেন:
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, উল্কাবৃষ্টি উপভোগ করতে শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে কোনো অন্ধকার ও খোলা জায়গায় যেতে হবে। চাঁদের উজ্জ্বল আলো এড়াতে কোনো বড় গাছের আড়ালে বা ছায়ায় অবস্থান নেওয়া যেতে পারে। আকাশ দেখার সময় চোখকে অন্ধকারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অন্তত ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট সময় দিতে হবে। হ্যালির ধূমকেতুটি সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে দেখা গিয়েছিল এবং ২০৬১ সালের আগে এটি আর পৃথিবীর আকাশে ফিরছে না, তাই এর অবশিষ্টাংশ থেকে সৃষ্ট এই উল্কাবৃষ্টি মহাকাশপ্রেমীদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।

সূত্র: নাসা, আমেরিকান মেটিওর সোসাইটি

আরও পড়ুন