২২ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১৪:৫২

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক, রুল জারি করেছে হাইকোর্ট প্রবাসীদের ভোটব্যবস্থা নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ একনেকে ১৪ হাজার ৪১ কোটি টাকার ৮ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা ইউনিয়ন পরিষদ  চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক, রুল জারি করেছে হাইকোর্ট প্রবাসীদের ভোটব্যবস্থা নিয়ে আজ বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স রেমিট্যান্সে শক্তিশালী সূচনা, ২০ দিনেই আসলো ২ বিলিয়ন ডলার কমিশন বাড়ানোর দাবিতে ৩০ জুলাই দেশজুড়ে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের ঘোষণা

আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ২০:২৪

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বদলিসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন সিরাজগঞ্জের একটি আদালত।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) শুনানি শেষে আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।

এর আগে গত ২৭ মার্চ কুষ্টিয়ার হরিপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবার আগে বক্তব্য দেওয়ার সময় এমপি আমির হামজা দাবি করেন, কুষ্টিয়ার বর্তমান জেলা প্রশাসক এখানে বদলি হয়ে আসার জন্য প্রায় ২০ থেকে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় করেছেন। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল এমপি আমির হামজাকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়েছিল, এমন ভিত্তিহীন বক্তব্যে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। নোটিশে তাকে সাত (৭) দিনের সময় দিয়ে জেলা প্রশাসক ঠিক কাকে এই টাকা দিয়েছেন, তার নাম ও প্রমাণ প্রকাশের দাবি জানানো হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো তথ্য বা প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন।

মামলার আইনজীবী আব্দুল মজিদ জানান, একজন দায়িত্বশীল সংসদ সদস্যের কাছ থেকে তথ্য-প্রমাণ ছাড়া প্রশাসনের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ তোলা আইনত দণ্ডনীয়। এটি সরকারি কর্মকর্তাদের মর্যাদাহানি করার পাশাপাশি জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। এ কারণেই আদালত আজ তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আরও পড়ুন