শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে ইউএনও অফিসে ডুয়েট ভিসির যোগদান
প্রতিফলন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ মে, ২০২৬, ২১:২৬
গাজীপুরের ঐতিহ্যবাহী ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য (ভিসি) দায়িত্ব গ্রহণ করাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ক্যাম্পাস এলাকা। দিনভর দফায় দফায় চলা এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশ কর্মকর্তা ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আজ রবিবার (১৭ মে) সকাল ১০টার দিকে নবনিযুক্ত ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেওয়ার লক্ষ্যে ডুয়েট ক্যাম্পাসে পা রাখলে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর পরপরই ক্যাম্পাসের ভেতরে ও বাইরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়।
তীব্র বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের মুখে নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হন। বাধ্য হয়ে তিনি পাশের গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে তীব্র পুলিশি বেষ্টনী ও নিরাপত্তার মধ্যে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কক্ষে অবস্থান করেন। পরবর্তীতে বিকেলের দিকে ক্যাম্পাস ছাড়াই সেই সরকারি দপ্তরে বসে তিনি নিজের যোগদান পত্রে সই করেন।
রাতে গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাত হোসেন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেলে আমার কার্যালয়েই নবাগত ভিসি ড. মোহাম্মদ ইকবাল প্রশাসনিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এমন নজিরবিহীন সংঘর্ষের ঘটনায় কী ধরনের আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, জানতে চাইলে তিনি জানান যে সরকারের উচ্চপর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পুরো বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তারাই পরবর্তী ব্যবস্থা নেবেন। সর্বশেষ প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ডুয়েট ক্যাম্পাস ও এর চারপাশের এলাকায় চরম থমথমে ও আতঙ্কিত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো ধরণের নতুন অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে পুরো এলাকায় বিপুল পরিমাণ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ডুয়েটে নতুন উপাচার্যের এই নিয়োগ বাতিল ও তার আগমন প্রতিহত করতে সকাল থেকেই সাধারণ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক আটকে বিক্ষোভ করছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, আন্দোলন নস্যাৎ করতে একপর্যায়ে ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা কিছু বহিরাগত ক্যাডার নিয়ে এসে শান্তিপূর্ণ শিক্ষার্থীদের ওপর আচমকা হামলা চালায়। এর ফলে পরিস্থিতি মুহূর্তের মধ্যে হাতের বাইরে চলে যায় এবং পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে রূপ নেয়।
দাঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বাহিনী লাঠিপেটা ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের সময় দুপক্ষের ছোঁড়া ইটের আঘাতে গাজীপুর মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার তাহেরুল হক চৌহান, উপ-পুলিশ কমিশনার রবিউল, সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাত হোসেন এবং একজন কর্মরত সাংবাদিকসহ অন্তত ১৫ জন রক্তাক্ত হন।
আরও পড়ুন
- • ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০ এশিয়া’ তালিকায় জায়গা পেলেন হানিয়া আমির
- • ধর্মেন্দ্রর বায়োপিকে কে? জবাব দিলেন ববি
- • মেধা হারাচ্ছে দেশ
- • মাদকের ছোবলে হারিয়ে যাচ্ছে তরুন সমাজ
- • আবারো বাড়ল দেশের রিজার্ভ
- • আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু, মিলল তদন্তের প্রতিবেদন
- • কুয়েতে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি
- • ৫ দিনের বৃষ্টির খবর দিল আবহাওয়া অফিস
- • ফ্রিল্যান্সারদের আয়ে থাকছে না সাড়ে সাত শতাংশ কর
- • ফ্লোরিডা নয়, ডোবার পাশেই মিলবে মশা দমনের শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী
- • বৈশ্বিক অস্থিরতায় স্বর্ণের দামে নতুন প্রভাব
- • পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ
- • ত্যাগের মহিমায় উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা
- • জানা গেলো মৃত নুরজাহান বেগমের তিন ছেলে ও এক কন্যার পরিচয়
- • কোকোর কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান
- • নতুন গানে পরীমণি
- • লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলার জবাবে হিজবুল্লাহর দফায় দফায় পাল্টা হামলা
- • প্রশাসনে বড় রদবদল, সাত অতিরিক্ত সচিবকে নতুন দায়িত্ব
