০৪ জুন ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১৫:৩১

শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট
শিরোনাম
নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হলো অত্যাধুনিক ফ্লোটিং ক্রেন ‘বিএনএফসি বলীয়ান’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধির সাক্ষাৎ ডিসেম্বরে চালু হতে পারে শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল : বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানি হয়েছে ৯৩ লাখের বেশি পশু ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরল ২৮১ প্রাণ :রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জুলাই থেকে চালু হচ্ছে হেলথ কার্ড, মিলবে স্বাস্থ্যসেবায় বিশেষ সুবিধা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফিরলেন ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে মেট্রোরেলের শেষ ট্রেনে বাড়লো ২০ মিনিট

রাষ্ট্রপতির নামে ভুয়া প্রজ্ঞাপন, হাসপাতালে পরিচালক হতে গিয়ে আটক ব্যক্তি

রাষ্ট্রপতির নামে ভুয়া প্রজ্ঞাপন, হাসপাতালে পরিচালক হতে গিয়ে আটক ব্যক্তি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০ মার্চ, ২০২৬, ১৫:১৮

মহামান্য রাষ্ট্রপতির নামে জারি করা ভুয়া প্রজ্ঞাপন দেখিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে পরিচালক পদে যোগদানের চেষ্টার অভিযোগে ইরফান জাহান নূর নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

সোমবার রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রজ্ঞাপনটি সন্দেহজনক মনে করে যাচাই-বাছাই করলে এর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এরপর তাকে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে ‘ডা. ইরফান জামান নূর’ পরিচয় দিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন উপস্থাপন করেন। এতে দাবি করা হয়, রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৫ অনুযায়ী তাকে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই করে দেখতে পায়, প্রজ্ঞাপনটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং কোনো সরকারি নথির সঙ্গে এর মিল নেই। এরপরই তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় আরও জানা গেছে, প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত নামটি তার প্রকৃত পরিচয় কিনা এবং তিনি আদৌ চিকিৎসক কিনা, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে রাষ্ট্রপতির নামে ভুয়া প্রজ্ঞাপন তৈরি করা হয়েছে এবং এর পেছনে অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ ব্যবহার করে এ ধরনের জালিয়াতির ঘটনা অত্যন্ত গুরুতর এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

আরও পড়ুন